পারফেক্ট ভিলেন

পারফেক্ট ভিলেন !! Part- 07

সকালে…
সারারাত মেরিনের ঘুম আসেনি । সকালের দিকে চোখ লেগে এসেছে । যখন চোখ মেলল তখন বেশ অবাক হয়ে গেলো । কারন ওর হাত বাধা। ওকে চেয়ারের সাথে বেধে রাখা হয়েছে । রুমটা মোটামোটি অন্ধকার । আধো আলো। দেখলো সামনে একজন বসে আছে। যার পেছন দেখা যাচ্ছে ।
ভিলেন : welcome জা…ন ।
মেরিন : কে তুমি?
ভিলেন : ভিলেন…
মেরিন : আমাকে এখানে এনেছো কেন ?
ভিলেন : নীড়ের থেকে আলাদা করতে ।
মেরিন : ছেরে দাও আমায় । না হলে কপালে দুঃখ আছে ।
ভিলেন : হাহাহা … আমার কপালে দুঃখ। what a joke…. তুমি খুব ভালো কমেডি করো। আমার দুঃখের কথা না ভেবে তুমি তোমার পরিবারের কথা ভাবো। তাদের কপালে ঘোর দুঃখ আছে । চলো একটু তাদের ঝলক দেখাই । এখন কে কি করছে । সকাল ৭টা … সবাই নিজেদের রুমেই আছে। lets see….
.
বলেই ভিলেন projector on করলো। মেরিন screen এ দেখতে পেলো সবাইকে। ওর মেয়ে ঘুমিয়ে আছে । কবির-কনিকা কি করছে? নীলিমা-নিহাল কি করছে? অধরা-মেঘ কি করছে? মেঘ যে বাড়ির বাইরে তবুও মেঘের কাজ দেখতে পাচ্ছে ।নীড় কি করছে? এমনকি security guards & servant রা কি করছে সেটাও দেখতে পাচ্ছে ।
ভিলেন : কেমন লাগলো আমার পাওয়ার? টেক্কা দিয়েছি না তোমাকে? এখন তোমার কাছে ২টা option আছে ১ম নীড়কে divorce দিয়ে আমাকে বিয়ে করবে। আজই ।
মেরিন : অসম্ভব কোনো দিনও না ।
ভিলেন : জা…ন কথা তো শেষ করতে দাও । ১ম টা তো শুনলে এখন ২য়টা শোনো। ২য় হলো ওটা না করলে আমার হাতে মরবে। তবে হ্যা তার আগে পুরো পরিবারকে মরতে দেখবে … সবার আগে নীড়কে… তবে হ্যা … আমি অতোটাও খারাপনা যে সময় দিবোনা । একটু সময় দিলাম ভাবার ভাবো … ১৭মিনিট।
বলেই ভিলেন বেরিয়ে গেলো ।
ভিলেন মনে মনে : দেখি ভালোবাসা … 😏
মেরিন মনে মনে : মেরিন বন্যা কারো বাধা ধরা নিয়মে চলেনা …
মেরিন নিজের জান লাগিয়ে বাধন হালকা করলো। রুম থেকে বের হলো । কিন্তু বেরিয়ে দেখে চারদিকে পানি আর পানি । তখন কারো হাসির শব্দ পেলো । পিছে ঘুরলো। দেখলো ভিলেন দারিয়ে আছে । মুখে মুখোশ ।
ভিলেন : তোমাকে আমি হারে হারে চিনি … জানতাম তুমি পালানোর প্রয়াস অবশ্যই করবে । তাই তো এমন জায়গা বেছে নিয়েছি । যেখানে পানি আর পানি… আমি তো জানি যে পানি তোমার দুর্বলতা। u can’t swim …
মেরিন বাকা হাসি দিলো ।
মেরিন : মেরিনকে বোঝার চেষ্টা কোরোনা …
বলেই মেরিন পানিতে ঝাপ দিলো ।
ভিলেন : জান…
ভিলেনও নিজের মুখোশ খুলে পানিতে ঝাপ দিলো । কিন্তু পেলোনা । আসলে সেদিন যখন নীড় আবার মেরিনকে পানি থেকে বাচিয়েছিলো এরপর মেরিন swimming শেখে । ভিলেন মেরিনকে পেলোনা ।
.
মেরিন কোনো রকমে পানি থেকে বের হয়ে সোজা গেলো খান বাড়িতে । কিন্তু দেখলো বাড়ির বাইরে অনেক লোক । মেরিন ছুটলো চৌধুরী বাড়িতে । সেখানেও একই কাহিনি ।
মেরিন : oh no… আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম । যে … damn it … কি করি কি করি? ভিলেন ভিলন ভিলেন …
মেরিন মাথায় ঘোমটা দিয়ে হাটতে লাগলো । তখন দেখলো ১টা মেয়েকে তার ছোটো বাবুকে কোলে নিয়ে আদর করছে । পাশে আছে বাবুটার বাবা । happy family ….
মেরিন : আমার মেয়েটা কি এমন life কখনোই পাবেনা ?
তখন মেরিন চোখ পরলো যে ১টা মেয়ে রেল লাইন দিয়ে হেটে যাচ্ছে। আর train আসার signal ও দিয়ে দিয়েছে । মেরিন দৌড়ে গিয়ে মেয়েটাকে বাচালো ।
মেরিন : এই মেয়ে ত…
মেরিন আর কিছু বলল না । থেমে গেলো। মেয়েটা বিকৃত চেহারা দেখে । বুঝতে পারলো এসিড মেরে মেয়েটার মুখ ঝলসে দিয়েছে । মেয়েটার নাম সুমি। সুমি হাউমাউ করে কাদতে লাগলো ।
মেরিন : আরে কাদছো কেন? আর suicide করতে যাচ্ছিলে কেন? অমন কেউ করে?
সুমি : করবো না তো কি করবো ? আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে । এলাকার ১নেতার ছেলে খুব উত্ত্যক্ত করছিলো । অনেক কষ্টে আমার আব্বা ১টা বিয়ে ঠিক করে কিন্তু এলাকার ছেলেটা মুখে এসিড মেরে দেয় । আমার বিয়ে ভেঙে যায় । বাবা heart attack করে। এখন মা আর ছোট ভাইকে নিয়ে কি করবো আমি? আমি থাকলে ওদের জীবন আরো খারাপ হবে …
মেরিন : যে এসিড মেরেছে তারনামে police complain করোনি?
সুমি : করলে কি হবে? পরদিনই বেরিয়ে গেছে । টাকার জোরে ।
মেরিন : হামমম । আমাকে দেখাতে পারবে তাকে ?
সুমি : হামম।
সুমি ছেলেটাকে চিনিয়ে দিলো। মেরিন ছেলেটার এমন হাল করলো যে ছেলেটা নাতো কখনো নিজের পায়ে দারাতে পারবে আর না কখনো নিজের ডান হাত দিয়ে কোন কাজ করতে পারবে। কেবল ১টা হাত মেরিন ঠিক রেখলো। এরপর মেরিন নিজের কানের diamond এর কানের দুল & গলার diamond pendant বিক্রি করে ভালো টাকা পেলো। যার মধ্যে থেকে অর্ধেক দিলো সুমিকে। আর অর্ধেক রাখলো নিজের কাছে ।
সুমি : আপনার এ উপকার আমি কখনো ভুলবোনা ।
মেরিন : উহু তোমার এই উপকার আমি কখনো ভুলবোনা ।
সুমি : মানে ?
মেরিন : মানে কিছুইনা । আপাদত এটা জেনে রাখো কিছুদিন তোমাদের এখানে থাকবো।
সুমি : এটা যে আমার সৌভাগ্য ।
মেরিন : তাই? তবে তােমাকে আমার জন্য ১টা কাজ করতে হবে।
সুমি : কি কাজ?
মেরিন সুমিকে খান বাড়িতে পাঠালো। কিছু তথ্য আনার জন্য । যার মাধ্যমে জানতে পারলো যে রোজ খান বাড়িতে নেই । মেরিন বুঝতে পারলো যে রোজকে নীড় চৌধুরী বাড়িতে নিয়ে গেছে ।
.
সুমি : এখন?
মেরিন : অপেক্ষা…
সুমি : কিসের?
মেরিন : ১৮তারিখের।
সুমি : ১৮ তারিখে কি?
মেরিন : আমার মেয়ের টিকা নেয়ার দিন।
সুমি : মানে?
মেরিন : মানে খুব সহজ । ১৮তারিখ আমার রোজের ১টা vaccine নেয়ার সময় । বাচ্চাদের কতো ধরনের থাকেনা টিকা মিকা। ওগুলোর মধ্যেই ১টা ।
সুমি : oh তো কি করবে তুমি সেদিন আপু?
মেরিন : কি করবো? আপাদত নিজেও জানিনা …
সুমি : তুমি যেন কেমনই আপু …
মেরিন : হাহাহা।
মনে মনে : জানিনা তুমি কে ভিলেন? যতোই তুমি আমার চৌধুরী বাড়িতে ঢোকার রাস্তা বন্ধ করো, নীড়ের জীবনে ঢোকার রাস্তা বন্ধ করোনা কেন ঢুকবো তো আমি অবশ্যই। তুমি নিজে আমাকে ঢোকাবে।
.
১৮তারিখ…
মেরিন ১টা 3rd class চমকিলা ঝাকানাকা গাঢ়ো রঙের ১টা থ্রিপীছ পরলো। নাকে নোলক পরলো । সবুজ লেন্স পরেছে । হাতে পায়ে মেক আপ করলো। আহা ফর্সা হওয়ার না। হালকা শ্যামবর্ন হওয়ার । মুখের মধ্যে এমন কিছু লাগালো যে দেখে মনে হচ্ছে যে ওর মুখে এসিড মারা হয়েছে। সুমি হঠাৎ দেখে চমকে উঠলো । যদি রুমের মধ্যে এসে না দেখতো তাহলে চিনতোই না যে এটা মেরিন।
সুমি : আপু তোমার এই অবস্থা …?
মেরিন : হামম। চেনা যাচ্ছে আমাকে ?
সুমি : একদমই না আপু ।
মেরিন : ok… আসছি ।
সুমি : চলো। আমিও যাবো ।
মেরিন : এই না …
সুমি : কেন?
মেরিন : অনেক কারন আছে। বলা যাবেনা ।
মেরিন বেরিয়ে গেলো ।
.
হসপিটালে…
মেরিন অপেক্ষা করছে কখন রোজকে নিয়ে নীড়রা আসবে। অবশেষে নীড় এলো। সাথে নীলিমা নিহালও আছে । রোজ নীড়ের কোলে । ১২-১৫ দিনপর মেয়েকে দেখে মেরিনের চোখে পানি চলে এলো।
মেরিন মনে মনে : আমার বাচ্চাটা… বাচ্চাটাকে কোলে কিভাবে নিবো? আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম যে ওর কান্না শুরু হলে আর থামেনা। আর এখন তো injection দিবে ।
মেরিনের ধারনাই ঠিক হলো । রোজের কান্নার ধুম উঠলো । থামার নামই নেই । ১বার নীড় নিচ্ছে ১বার নীলিমা ১বার নিহাল। কিন্তু রোজ তো কেদেই যাচ্ছে।
মেরিন : ইজ কুজ মি…
কেউ কানে নিলো না। মেরিন ২-৩বার বলল।
নীড় : কি চাই?
মেরিন : বাবু…
নীড় : কি? 😤।
মেরিন : না মাইনে বাবুটা ক্যামনে কইরে কান্না কইরতেসে। তাই কচ্ছিলাম কি একটু আমার কোলে দিবেন?
নীলিমা : কেন তোমার কোলে দিবো কেন ? নীড় আমার মন হচ্ছে বাচ্চা চোর।
মেরিন : আস্তাগফিরুল্লাহ কয় কি? আমি তো বাবুটার কান্না শুনি থামাতে আসলাম।
নিহাল : এই মেয়ে আমাদের বাবু আমরা থামাতে পারছিনা তুমি পারবে?
মেরিন : হামমম।
নীড় : oh really !!!
মেরিন : জে… বাচ্চাদের সাথে আমার অনেক ভাব।
নীড় : যদি থামাতে না পারো তোমার সাথে যে কি করবো নিজেও জানিনা।
বলেই নীড় রোজকে মেরিনের কোলে দিলো। মেরিনের কোলে যেতে না যেতেই রোজ থেমে গেলো । মা is মা । সবাই তো অবাক ।
মেরিন : বলেছিলাম না… দেইখলেন? আইচ্ছা বাবুটার মা কোন ধারে? মরি গেছে বুঝি?
নীড় : shut up…
মেরিন : ওরে বাবা খ্যামা করি দেন। তো মা কোথায়? বাচ্চা রেখে পালায় গেছে অন্যের সাথে ?
নীড় তো ক্ষেপে গেলো।
নীড় : you…
বলেই রোজকে কোলে নিয়ে অন্য হাত দিয়ে মেরিনের গলা চেপে ধরলো। নিহাল-নীলিমা অনেক কষ্টে ছারালো।
নিহাল : কি করছো কি নীড় ?
নীড় : তো কি করবো? এই মেয়ের সাহস কি করে হয় আমার মেরিনকে নিয়ে বাজে কথা বলার? 😡।
মেরিন : এ্যা হ্যা হ্যা হ্যা… মারি ফেলল রে মারি ফেলল । বাছাও বাছাও … গুন্ডা…
নীড় : lets go বাবা …
নীড় ৫-৬ কদম যেতেই কিছু ১টা ওর মাথায় এলো । ছুটে মেরিনের কাছে গেলো । ১টানে ঘোমটা ওঠালো । কিন্তু ঘোমটার নিচে মুখটা দেখে নীড় ঘোমটা টা নামিয়ে দিলো। এরপর টাকার bundle মেরিনের ওপর ছুরে মেরে চলে গেলো।
মেরিন তো জোরে জোরে নীড়কে বকতে লাগলো। সবাইকে শুনিয়ে শুনিয়ে।
মেরিন : এই লেইগাই বড়লোক দেখতে মন চায়না । কিন্তু এখন আমি কিতা করবো? ১টা কাজও পেলামনা … ও মোর খোদা কিতা করবো আমি?
মেরিন মনে মনে : যদি তুমি actually ভিলেন হও। যদি সত্যি তোমার নজর সবজায়গায় থাকে তাহলে এখানেও আছে। আর যেহেতু আমি গলা ফাটিয়ে ট্যা ট্যা করছি সেটাও তোমার কানে যাবেই। এখন ধীরে ধীরে নিচে নামলো ।
.
নিচে নামতেই কেউ chloroform দিয়ে মেরিনকে অজ্ঞান করে নিলো। যদিও মেরিন অজ্ঞান হয়ইনি। just অভিনয় করছিলো । ও জানতো এমন কিছু হতে পারে। তাই antidote নিয়েই এসেছে । একটুপর মেরিন জ্ঞান ফেরার নাটক করলো।
মেরিন : হঠাৎ এমন ঘুমে ধরলো কিল্লায়? অ্যা আমি কোন ধারে??? 😱।
ভিলেন : আমার ডেরায়?
মেরিন : কে কথা কয়?
মেরিন সামনে তাকালো। এরপর পুরো জায়গাটাতে চোখ বুলালো। দেখলো ভিলেন ১টা রাজকীয় চেয়ারে বসে আছে । খুবই সেফটির সাথে ।
মেরিন : ও মোর খোদা… আমারে এখানে কিল্লায় আনছেন? কিতা করলাম আমি? বিশ্বাস করেন আমার কাছে টাকা পয়সা নাই। আমি তো শহরে ১খানা কাজের জন্য এইসেছি। পাইনাই। আপনারা কি আমার কিডনি নিবেন !!! শুনেছি ঢাকা শহরে নাকি কিডনির ব্যাবসা হয়? আ…
ভিলেন : চুপ… একদম চুপ।
মেরিন চুপ হয়ে গেলো।
ভিলেন : চপর চপর চপর করতেই আছে। আরেকটা ফাউল কথা বললে একদম টপকে দিবো। যে প্রশ্ন করবো শুধু সেই উত্তর দিবে। বুঝেছো ?
মেরিন : হামমম।
ভিলেন : নাম কি?
মেরিন : জান্নাত ।
ভিলেন : বাবা-মার নাম?
মেরিন : মরহুম আর মরহুমা মনির আর জমিলা।
ভিলেন : বাড়ি কোথায়?
মেরিন : পদ্মার নিছে …
ভিলেন : মানে?
মেরিন : মাইনে বাড়ি-ঘর-জমি সব নদী ভাইঙ্গে নিয়ে গেছে। 😭।
ভিলেন : ঢাকায় কেন এসেছো?
মেরিন : বাচতে….
ভিলেন : মানে?
মেরিন : মানে কাজ খুজতে?
ভিলেন মেরিনকে হাজারটা প্রশ্ন করলো। মেরিন বেশ গুছিয়ে জবাব দিলো ।
ভিলেন : তুমি কাজ চাও?
মেরিন : হামম।
ভিলেন : আমি দিবো তোমাকে কাজ ।
মেরিন : কন কি? সত্যি?
ভিলেন : হামম। সত্যি।
মেরিন : কি কাজ?
ভিলেন : জেনে যাবে। শীঘ্রই জেনে যাবে। আপাদত আরাম করো ।
মেরিন : আইচ্ছা তাহলে আমি এখন আসি?
ভিলেন : কোথায় যাবে?
মেরিন : জানিনা?
ভিলেন : ২-৪দিন এখানেই থাকবে। কোথাও বের হবেনা। বুঝেছো?
মেরিন : কিল্লায়?
ভিলেন : আমি বলেছি তাই। কোনো কথা না।
বলেই ভিলেন চলে গেলো।
মেরিন মনে মনে : কি যেন বলে? হামম শাম দাম দান্ড ভেদ … এখন দুনিয়া ঘুরে গেলেও তুমি আমাকে ও বাড়িতে ঢোকাবে। মানতে হবে নীড় জানু তোমার কাছে training পেয়ে আমিও ভিলেন হয়ে গেছি । তোমাকেই মাত দিয়ে দিয়েছি সেখানে এটা তো about zerooooo….
.
২দিনপর…
ভিলেন : এই নটাংকি। রেডি তুমি?
মেরিন : হামম।
ভিলেন : শোনো নীড় আহমেদ চৌধুরী বর্ষন শিয়াল পন্ডিতের মতো চালাক । তোমাকে খুব সাবধানে কাজ করতে হবে।
মেরিন : আমি ফাটাইয়া অকটিন ( acting ) করবো। গেরামে ২-৩বার যাত্রা কইরেছি ।
ভিলেন : over acting করবেন। বুঝেছো?
মেরিন : হামমম।
ভিলেনের master plan অনুযায়ী মেরিন চৌধুরী বাড়িতে ঢুকলো ।
.
চলবে…