পারফেক্ট ভিলেন

পারফেক্ট ভিলেন ! Season- 02 !! Part- 22

নীড় : কবির ফয়সাল খানকে arrest করাবো…
অধরা : পারা যাবে?
নীড় : যাবেনা কেন? ওই কবির ফয়সাল খানকে তো আমি জেলের ঘানি টানাবোই।
অধরা : মেঘ-মেরিন কি তা হতে দিবে? ওরা তো মনে হয় ১দিনও থাকতে দিবেনা।
নীড় : দিতেই হবে। next weekএ বৃহঃ , শুক্র আর শনি ১নাগারে ৩ দিন সরকারি ছুটি আছে । তাই আগামী বুধবার কবির ফয়সাল খানকে বিকালের দিকে arrest করাবো । যেন minimum ৩ দিন থাকতে হবে জেলে । রবিবার court খুলবে। সাথে সাথে court এ চালান।
অধরা : বেল দেয়া কি ব্যাপার হবে?
নীড় : হবে। কারন ৩-৪ঘন্টার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে কিনে নিবো ।
.
খান বাড়িতে…
মেঘ : মেরিন… মেরিন…
মেরিন : হ্যা ভাইয়া…
মেঘ: কফিল আহমেদের location পেয়ে গেছি।
মেরিন : oh great … কোথায়?
মেঘ: নিউজার্সিতে।
মেরিন : হামম।
মেঘ : ওর weakpoint হলো ওর ছোটো মেয়ে ।
মেরিন : great… ওখানে গিয়ে ওকে আনতে হবে।
মেঘ: হ্যা আমি কালই বে… oh no…
মেরিন : কি হয়েছে ?
মেঘ: আমার passport তো ওদের কাছে । আর নতুন passport করতে ৭-৮দিন লেগে যাবে । আর লেট করা মানে লস করা ।
মেরিন : no worry ভাইয়া। আমি যাবো।
কনিকা : তুই এই অবস্থায় journal করবি?
মেরিন : কিছু হবেনা আম্মু। আর ভাইয়া… তুমি আজকে কালকের মধ্যে ১টা pre bail order এর ব্যাবস্থা করাও । date টা দিবে ১৭ তারিখের।
মেঘ : মানে?
মেরিন : ভাইয়া নীড়কে যতোদূর চিনি ও এখন বাবাকে arrest করানোর কথা ভাবছে। আর ১৮,১৯ & ২০ ৩দিন সরকারি ছুটি। court বন্ধ থাকবে । রবিবার সকালেই court এ চালান । আর সেদিন যেন বাবা bail না পায় সে জন্য নীড় আহমেদ চৌধুরী বর্ষন নিজের সব power লাগিয়ে দেবে । ৩দিন তো অনেক বেশি। আমি আমার বাবাকে ৩মিনিটও জেলে থাকতে দিবোনা।
মেঘ : is it possible ?
মেরিন : money is money ভাইয়া…
মেঘ : হামম।
মেরিন : আর শোনো বাবা… ১৭তারিখ তুমি secret রুমে লুকিয়ে থাকবে।
কবির : কেন ?
মেরিন : আমি চাইনা পুলিশ বাবাকে অপরাধীর মতো টেনে জেলে নিয়ে যাক।
কবির : মানে?
মেরিন : পুলিশ যখন বাবাকে arrest করতে আসবে তুমি বলবে বাবা দরকারী কাজে বাইরে গেছে। ওনাদের চলে যেতে বলবে। আর বলবে যে বাবা নিজে police station এ যাবে । যদি পুলিশ না রাজী হয় তুমি warrant দিবে signature করে যে যদি বাবা গিয়ে surrender না করে তাহলে যেন তোমাকে arrest করা হয় । বাবা police station এ ঢোকার ২মিনিট পরই তুমি ভেতরে ঢুকবে । আর ১জন lawyer কে কাল থেকেই আমাদের বাসায় পালতে শুরু করো। কারন তার হাত দিয়েই তো bail orderটা পৌছাতে হবে ।
মেঘ: হামম ।
পরদিন মেরিন নিউজার্সির জন্য রওনা হলো । ১৭ তারিখ নীড়-মেরিনের ইচ্ছা মতোই কাজ হলো। নীড়ের ইচ্ছা মতো কবির জেলে ঢুকলো। আর মেরিনের ইচ্ছা মতো ২মিনিট শেষ হতে না হতেই কবির জেলের বাইরেও বেরিয়ে এলো।
.
১৮তারিখ…
সকালে…
কবির-কনিকা-মেঘ বসে breakfast করছে। আর তখনই স্লোগান শুনতে
পেলো: কবির ফয়সাল খান হায় হায়…
৩জন বাইরে বের হলো। দেখলো প্রেস-মিডিয়া , নারী আন্দোলন কমিটির মহিলারা । যথারীতি খুবই বাজে situation …. guards রা চেষ্টা করেও তাদেরকে আটকাতে পারলোনা । তারা কবিরের মুখে কালি মাখাতে গেলো । just মাখাবে ঠিক তখনই সবাই গুলির আওয়াজে চমকে উঠলো । সবাই পিছে ঘুরলো । দেখলো গান হাতে মেরিন দারিয়ে আছে ।
মেরিন : ৫সেকেন্ড সময় দিলাম। আমার বাবার থেকে ১০ হাত পিছে আসার জন্য । যদি না আসা হয় i swear … যে কয়জন আমার বাবার সামনে দারিয়ে আছে সবার ঠিক heart বরাবর গুলি করবো।
সাথে সাথে কবিরের কাছে থেকে মহিলারা সরে গেলো। মেরিন গিয়ে কবিরের পাশে দারালো ।
১জন journalist : আপনি এমন করতে পারেন না মিসেস চৌধুরী… আমরা কিন্তু action নিবো।
মেরিন লোকটার পা বরাবর ১টা ফাকা গুলি মারলো ।
মেরিন : আমি কি করতে পারি আর কি করতে পারিনা সেটা আপনাদেরকে বলতে হবেনা । আর হ্যা আমি চৌধুরী না খান।
journalist : আপনি আপনার বাবাকে বাচাতে পারবেন না….
মেরিন : মেরিন আমার বাবার কথা না ভেবে নিজের কথা ভাবুন। অপরাধ প্রমান না হলে কেউই অপরাধী নয় । আমার বাবা যে নির্দোষ সেটা তো আমি প্রমান করবোই…
journalist : টাকা দিয়ে?
মেরিন : টাকা দিয়ে যে চৌধুরীদের হারানো যাবেনা সেটা কি জানেন না?
journalist : আপনার বাবা এবার বাচবেন না।
মেরিন : আবারো বলছি … আমার বাবার কথা ভাবতে হবেনা । তবে আমার বাবা নির্দোষ প্রমান হলে আপনাদের সাথে কি কি হতে পারে তা কেউই জানেনা। now out….
.
২০তারিখ…
শনিবার…
মেরিন : ভাইয়া আমরা best defence lawyer hire করবো ।
মেঘ : করতে তো চাই। পারবো কি?
মেরিন : পারতেই হবে। যদি আম্মু-বাবার দোয়া থাকে…
কবির : সবসময় আছে। কিন্তু তোমরা ২জন কি ঠিক করেছো যে এসবের পরে কি করবে? কারন যাইই হোক না কেন অধরা এ বাড়ির বউ আর নীড় এ বাড়ীর জামাই। তাই বলছিলাম কি…
মেরিন : বাবা নীড় অমানুষ। ওকে কখনো ক্ষমা করা যাবেনা…
মেঘ : আর না অধরাকে…
কনিকা : কিন্তু মেঘ… ও তোর বাচ্চার মা আর মেরিন নীড়ের বাচ্চার মা হতে চলেছে …
মেঘ : আমার বাচ্চা আমি নিয়ে আসবো।
কনিকা : মা ছারা কিভাবে থাকবে অতোটুকু বাচ্চা….
মেঘ : ওর মা থাকবেনা তো কি হয়েছে আমার মা তো থাকবে। যাদের মা মরে যায় তারা কি থাকেনা…
কনিকা : মেঘ…
মেঘ : হ্যা আম্মু। আমার জীবনে অধরার কোনো জায়গা নেই… অনুভব বড় হবে ওর বাবা , দাদু-দীদা আর ফুুপুর আদরে…
কনিকা : মেরিন তুইও কি তোর …
মেরিন : আচ্ছা বিয়ে হয়ে গেছে বলেকি আমি এ বাড়িতে থাকতে পারবোনা?
কনিকা : কি বলিস এগুলো?
মেরিন : বাদ দাও।
২পরিবারই ২টা সেরা lawyer hire করলো। ৫দিনপর hearing শুরু….
.
৫দিনপর….
সকালে…
মেঘ : মেরিন… সর্বনাশ হয়ে গেছে ।
মেরিন : কি হয়েছে?
মেঘ : আমরা যে lawyer কে hire করেছিলাম না … advocate শফিকুল্লাহ …
মেরিন : হামম।
মেঘ : he is missing …
মেরিন : as expected…
মেঘ : ওরা তো best & experienced lawyer কে hire করেছে। advocate জাফর ইকবাল। যে কোনো case এ কখনো হারেনি। কি করবো আমরা? হেরে যাবো যে।
মেরিন : case জেতার জন্য experienced হওয়ার দরকার নেই। মনোবল দরকার।
মেঘ : কিন্তু পাবো কোথায় এখন কোনো lawyer কে? আর পেলেও trust কি করে করবো?
মেরিন : আমি ১জনকে জানি ভাইয়া… যার ওপর 100% বিশ্বাস করা যায় । যে এই case লরবেও আর জিতবেও।
মেঘ : কে?
মেরিন মেঘের দিকে তাকিয়ে হাসি দিলো।
মেঘ : তুমি লরবে?
মেরিন : হামম। জীবনের প্রথম case…
মেঘ : i totally forgot … কিন্তু কিছুতো process আছে।
মেরিন : all are done… আমি আন্দাজ করেছিলাম যে এমন কিছু হবে ।।
মেঘ : hats off… তারাতারি চলো।
মেরিন :হামম যাবো । কিন্তু একটু লেট করে।
মেঘ : মানে? কেন?
মেরিন : প্রতিপক্ষকে একটু খুশি হতে দেয়া উচিত ।। তাইনা ভাইয়া? 😏।
মেঘ : yeah… 😎
.
court room এ…
জজ সাহেব এলো ।
জজ : আদালতের কার্যক্রম শুরু হোক।
জাফর : your honor … আসামী পক্ষের কোনো উকিল এখনো আসেনি।
জজ : মিস্টার কবির ফয়সাল খান আপনার পক্ষে কি কোনো উকিল নেই ?
কবির : আছে your honor …
জজ : কোথায় সে?
কবির : আসবে।
জাফর : কখন আসবে। নাকি হেরে যাবে বলে আসেইনি…
মেরিন : মেরিন বন্যা কখনো হারতে শেখেনি…
সবাই ঘুরলো।
মেরিন এগিয়ে এলো ।
মেরিন : শুভ সকাল your honor …. শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সময় মতো না আশার জন্য। আমি মেরিন বন্যা ….
মেরিন বন্যা নীড় খান চৌধুরী। আমি মিস্টার কবির ফয়সাল খানের পক্ষে লরবো। এই যে তার পেপার।
মেরিন পেপার submit করলো। মেরিনকে দেখে অধরা-নীড়ের কপালে ভাজ পরলো । কারন এটা মেরিন …
জজ : হামম। এবার শুরু করা যাক…
.
জাফর : your honor its an open & shut case…. আজ থেকে ৩৫ বছর আগে… নিহাল আহমেদ চৌধুরী ভার্সিটি থেকে ক্যাম্পিং এর জন্য রাজশাহী গিয়েছিলেন । মোটামোটি ১৫দিনের জন্য । তার মা-বাবা আর আদরের ছোটবোনের দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছিলেন তার প্রানপ্রিয় বন্ধু কবির ফয়সাল খানকে। কিন্তু সেই কবির ফয়সাল খান বন্ধুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। নিহাল আহমেদ চৌধুরীর বোন নিশা চৌধুরী ছিলেন অত্যন্ত সুন্দরী। তার ওপর কবির ফয়সাল খানের নজর অনেক আগে থেকেই ছিলো । সে তার অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের ১টা সুযোগ খুজছিলেন। যেটা তিনি পেয়েও গেলেন । নিজের কামনা পূরন করতে গেলো নিহাল আহমেদ চৌধুরীর বাড়িতে । স্বাভাবিকভাবেই মা-বাবা মেয়েকে রক্ষা করতে চাইবেই । তাই সেদিন নিহাল আহমেদ চৌধুরীর বাবামাও চেয়েছিলেন নিশাকে বাচাতে । কিন্তু কবির ফয়সাল খান এতোটাই হিংস্র হয়ে উঠেছিলেন যে সে তাদের ২জনকে মেরে দিলেন । আর নিশা চৌধুরীর রেপ করলেন এরপর তাকেও খুন করলেন।
এরপর ওখান থেকে বেরিয়ে এলেন । নিশা চৌধুরীর মধ্যে অল্প প্রান অবশিষ্ট ছিলো। তাই সে অপরাধীর নাম নিজের রক্ত দিয়ে লিখতে নিয়েছিলো । সে লিখেছিলো Kol- …
তবে সে kobir নাম পুরোটা লিখতে পারেনি। মারা যায়। handwriting expert দিয়ে এটা প্রমানিত যে লেখাটা নিশা চৌধুরীর ই…. এই যে সেই রিপোর্ট ।
জাফর submit করলো।
জাফর : শুধু তাইই নয় নিশা চোধুরীর হাতের মুঠোয় পাওয়া গেছে কবির ফয়সাল খানের bracelet …. এই যে তার রিপোর্ট।
জাফর সেটাও সাবমিট করলো।
জাফর : এখন আসি যে এতো বছর পর কেন case টা re-open হলো? your honor …আমাদের সমাজটা কিছু অসাধু লোকে ভরে গেছে। যারা টাকার বিনিময়ে সব কাজ করতে পারে । ৩৫বছর আগে নিহাল আহমেদ চৌধুরী ছিলেন মধ্যবিত্ত ঘরের ১জন মেধাবী ছাত্র॥ আর কবির ফয়সাল খান ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি শমসের খানের একমাত্র ছেলে। নিহাল আহমেদ চৌধুরী was about zero… তবুও নিহাল আহমেদ চৌধুরী সাহস দেখিয়েছিলেন । কিন্তু পেরে ওঠেন নি। তাই আর ২য় বার চেষ্টা করেননি।
কিন্তু আজকে তারা সমান সমান। হয়তো বেশি….
my lord… আমি চাই এমন জঘন্যতম অপরাধের জন্য এই কবির ফয়সাল খান এমন জঘন্যতম অপরাধের যথাযোগ্য শাস্তি পাক।
thats all your honor …
জজ : মেরিন বন্যা তুমি কিছু বলতে চাও।
.
মেরিন : yes your honor … তবে case সম্পর্কে কিছু বলার আগে আমি জাফর ইকবাল স্যার কে সালাম জানাতে চাই। he is my idle … আর আজকে তার কথা বলার ধরন দেখে মহা fan হয়ে গেছি । আমার সৌভাগ্য যে আমি তার সাথে লরছি। আর তার থেকেও বড় সৌভাগ্য যে তাকে হারিয়ে দিবো।
জাফর : over confidence ভালোনা নবীন উকিল সাহেবা।
মেরিন : জানানোর জন্য ধন্যবাদ। your honor … আমি নিহাল আহমেদ চৌধুরীকে witness box এ আসার জন্য অনুরোধ করছি।
জজ : granted ….
নিহাল এলো।
মেরিন : মিস্টার চৌধুরী আপনি ক্যাম্পিংএ যাওয়ার আগে আপনার পরিবারের দায়িত্ব কার বা কাদের ওপর দিয়ে গিয়েছিলেন?
নিহাল : আমার ২বন্ধু কবির আর কফিল।
কফিল নামটা শুনে অধরা-নীড় অবাক হলো।
মেরিন : point to be noted your honor ….
হামম । এরপর?
নিহাল : আমি যাওয়ার ৩-৪দিন পর কফিলের চিঠি আসে যে ও নেপাল যাচ্ছে।
মেরিন : হামম। একটু wait করুন। your honor আমি কবির ফয়সাল খানকে কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
জজ : granted…
মেরিন : মিস্টার খান এটা কি সত্যি যে মিস্টাক কফিল রায়হান নেপাল গিয়েছিলো।
কবির : হ্যা। আমি আর কফিল একসাথেই airport গিয়েছিলাম।
মেরিন : আপনি airport গিয়েছিলেন see off করতে?
কবির : না না… কফিলের যেমন ঢাকা টু নেপাল flight ছিলো তেমনি আমারও ঢাকা টু কোলকাতা fight ছিলো।
মেরিন : তাই? তাহলে আপনি কফিল রায়হানের মতো চিঠি পোস্ট করেন নি কেন?
কবির : আমিও post করতেই যাচ্ছিলাম কিন্তু তখন কফিল এলো । বলল যে ও ও চিঠি পোস্ট করবে তাই যেন ওকেই দিয়ে দেই ২টা একসাথেই পোস্ট করবে…
জাফর : পুরানো সাজানো কথা তুলে কি লাভ your honor ?
মেরিন : লাভ আছে your honor … please let me finish …
জজ : ok…
মেরিন : আচ্ছা কোলকাতা গিয়ে আপনার সাথে তো তেমন কারো যোগাযোগ হয়না। তাইনা?
কবির : না… তবে প্রায় প্রতিদিন ২বার করে কফিল টেলিফোন করতো ।
মেরিন : কি বলতো?
কবির : এই কবে আসবো ? কেমন আছি?
মেরিন : thank u… your honor … আজ থেকে ৩৫ বছর আগে teli communication system ততোটা advance ছিলোনা। তাও এক দেশ থেকে অন্যদেশ । your honor … কবির ফয়সাল খান তখন যে হোটেলে stay করেছিলেন সে হোটেলে থাকার প্রমান তো আগেই দেখানো হয়েছিলো। সেটার সাথে তুলনা করে নতুন ভাবে investigate করা হয়েছ যে মিস্টার খান actually সেই হোটেলে ছিলেন কিনা? আর ২টা record match করেছে। এই তার রিপোর্ট ।
মেরিন সাবমিট করলো।
মেরিন : your honor 35 years is a long very long duration … তবুও আমাদের দেশে এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতর পশ্চিমবঙ্গের actually কোলকাতার teli-communition department থেকে department expert দের সাহায্যে আর সেই হোটেল ম্যানেজমেন্টদের সাহায্যে কবির ফয়সাল খানের কাছে যাওয়া দিনে ২বার করে call history ও উদ্ধার করা হয়ে হয়েছে । as we know যে TNT এর রেকর্ড উদ্ধার করা কষ্টকর হলেও অসম্ভব নয় । আর সেই টেলিফোনে যেখান থেকে ফোন গেছে সেটা হলো কফিল রায়হানের বাসার TNT number … এই file টা complete করতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে । এই তার রিপোর্ট ।
মেরিন সাবমিট করলো।
.
মেরিন : your honor … নিহাল আহমেদ চৌধুরী case re-open করান নি তার কারন এটা না যে he was a big zero then…. re-open না করানোর কারন হলো অপরাধবোধ॥ যেটার স্বীকারোক্তি স্বয়ং নিহাল আহমেদ চৌধুরী নিজেই দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো কিসের অপরাধবোধ? সেটা না হয় নিহাল আহমেদ চৌধুরীর কাছেই জেনে নেই।
মেরিন নিহালের কাছে গেলো।
মেরিন : মিস্টার চৌধুরী কিসের অপরাধবোধ বলবেন কি?
নিহাল : আমার হাতে কবিরের বাবা , শমসের কাকা আমার হাতে খুন হয়।
কথাটা শুনে পুরো court room নরে চরে বসলো। অধরা আর নীড়ের মাথায় যেন বাজ পরলো ।
মেরিন : point to be noted my lord… বিস্তারিত খুলে
বলুন মিস্টার চৌধুরী।
নিহাল : case এ হেরে আমি অনেক ভেঙে পরেছিলাম । সেই সাথে রাগও ছিলো কবির আর কাকার ওপর । হঠাৎ জানিনা কোথায় থেকে আমার বাড়ির উঠানে ১টা revolver দেখি। রাগও ছিলো প্রচুর । তাই আমি ওটা নিয়ে খান বাড়িতে যাই।কবিরকে মারতে। কবিরের heart বরাবর গুলি করি। ওকে বাচাতে কাকা সামনে চলে আসেন। আর তার বুকের বাম দিকে গুলি লাগে ।
সবাই আরেকদফ অবাক হয়।
মেরিন : আচ্ছা আপনি কোথায় থেকে গুলি করেছিলেন? আর মিস্টার খান কোথায় দারিয়ে ছিলো? আপনাদের ২জনের মধ্যে দূরত্ব কতোটুকু ছিলো?
নিহাল : আমি ওদের বাড়ির সদর দরজার ওখানে ছিলাম আর কবির সিড়ির ওখানে। দূরত্বটা ১২-১৩ফুট হবে।
মেরিন : point to be noted my lord… আপনি এখন আসতে পারেন।
নিহাল চলে গেলো।
.
মেরিন : your honor … আমি কবির ফয়সাল খানকে কিছু জিজ্ঞেস করতে চাই ।
জজ : granted …
মেরিন : মিস্টার খান দূরত্বটা কি actually ১২-১৫ ফুট ছিলো?
কবির : জী।
মেরিন : দেখলেন তো জাফর স্যার খুনী তো তবে ২জনই । তাইনা? কিন্তু আসলে কেউই খুনী নয় । না কবির ফয়সাল খান আর না নিহাল আহমেদ চৌধুরী। কারন তাদের মধ্যে কেউই খুন করেননি….
.
((( কালকে থেকে the নীড় আহমেদ চৌধুরী বর্ষনর শাস্তি শুরু হবে। 😎😎😎)))
চলবে….