পারফেক্ট ভিলেন

পারফেক্ট ভিলেন ! Season- 02 !! Part- 19

নীড় : wow… what a villain am i? but u know … এতে তোমার কোন দোষ নেই। তোমার বাবার দোষ। তার জন্য তুমি বলির পাঠা হয়ে গেছো। সেই শুরু থেকে… বারবার তোমার ওপর দিয়ে ঝড় গেছে । কখনো cold storage … কখনো পানিতে ডোবা… কখনো গুন্ডাদের হামলা… blah blah blah… কারন তুমিই তো তোমার বাবার একমাত্র দুর্বলতা । so সব দোষ তোমার murderer & rapist বাবার দোষ।
মেরিন : এই এই এই মিস্টার নীড়… আমি সব মেনে নিতে পারি কিন্তু আমার বাবার নামে কোনো বাজে কথা আমি মেনে নিতে পারবোনা। জানে মেরে দিবো।
নীড় : বাবাহ… এখনো এতো তেজ?
মেরিন : তেজের দেখেছিস কি? আরেকবার যদি তুই আমার বাবার নামে কিছু বলিস তোকে আমি কি করবো তা কেউ জানেনা।
.
নীড় : awwwe জান… কষ্ট লাগলো । but its true… তোমার বাবা কবির ফয়সাল খান ১জন খুনি + রেপিস্ট।
মেরিন : নীড়…. (জোরে)
নীড় জোরে ঝারি মেরে
বলল : চুপ…
মেরিন চমকে উঠলো ।
নীড় মেরিনের চুলের মুঠি ধরে
বলল : আমাকে একদম চোখ রাঙাবিনা… চোখ তুলে ফেলবো… এতো গায়ে লাগছে কেন? যা সত্যি তাইতো বলেছি । তোর বাবা আমার দাদুভাই আর দীদাকে খুন করেছে। then আমার ফুপ্পিকে রেপ করে খুন করেছে।
মেরিন : আমার বাবার নামে… আহ… মা.. আরেকটা কথা বললে আমি তোর জিভ টেনে ছিরে ফেলবো…
নীড় মেরিনের চুলের মুঠি আরো শক্ত করে ধরলো।
মেরিন : আহ…
নীড় : যা বলেছি সত্যি বলেছি । তুই বিশ্বাস করলে কর না করলে নাই । তাতে আমার কিছু না। কিন্তু তোর বাবার কপালে যে কি আছে…. 😏…
বলেই নীড় মেরিনকে ছেরে দিলো।
নীড় : whatever … জান… তুমি এতোদিন আমার best রূপ দেখেছো কালকে থেকে আমার worst রূপ দেখবে। তুমি তোমার বাবা আর তোমার মা … কি আছে কপালে… ১জানে আল্লাহ আর হয়তো কিছুটা আমি। be prepare …
মেরিন মুচকি হাসি দিলো।
মেরিন : জান… table will be turned soon… আর তখন তোমার কপালে কি আছে সেটা শুধু আল্লাহ জানে… কারন তিনিই ভবিষৎ জানে । তিনি আমার মাথায় যেটা ঢোকাবে সেটাই আমি করবো। আর কসম আল্লাহর তোমাকে এমন শাস্তি দিবো যেটা তুমি মৃত্যুর পরও মনে রাখবা।
নীড় : we will see… এখন আমি তোমার হাত খুলে দিচ্ছি জান…
নীড় মেরিনের হাত-পায়ের বাধন খুলে দিলো।
.
পরদিন…
মেরিন : বাবা কখনোই এমন কিছু করতে পারেনা। আমি sure….তবে আগে আমার বাবার সাথে কথা বলতে হবে…
নীড় : এইযে পটের বিবি…যান রান্নাঘরে যান…
মেরিন : মানে?
নীড় : মানে বোঝোনা…? ok বুঝিয়ে দিচ্ছি । আজকে থেকে সকল প্রকারের সব রান্নাবান্না + যাবতীয় সব কাজ তুমি করবা। as a servant…
মেরিন : excuse me… আমি আপনার কেনা গোলাম না যে আপনি উঠতে বললে উঠবো আর বসতে বললে বসবো।
নীড় : তো তুমি কি ভেবেছে তোমাকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবো? no জান…
মেরিন : আপনার কথা শুনতে বাধ্য নই।
নীড় : ভাই হারিয়েছো… মা-বাবাকেও হারাতে চাও…?
মেরিন : …
নীড় : যাও…
মেরিন রান্নাঘরে গেলো।
নীড় : i have to hurt you… but i can’t hate you…
.
নীলিমা : একি মামনি… তুমি রান্নাঘরে?
নীড় : যার যেখানে জায়গা সে তো সেখানেই থাকবে। তাইনা মামনি? ওকে রান্না করতে দাও । কাজ করতে দাও।
নীলিমা: কি পাগলের প্রলাপ বকছো? মামনি রান্না করবে না।
নীড় : মেরিন রান্না করবে। শুধু রান্না না যাবতীয় সব কাজ করবে।
নীলিমা : কি? কেন?
নীড় : কারন ও কবির ফয়সাল খানের মেয়ে।
নীলিমা : তুই কি বলছিস কিছুই বুঝতে পারছিনা।
নীড় : বুঝতে চাইও না… তুমি বের হও ওকে কাজ করতে দাও।
নীলিমা : তোমার বাবা তোমার সাথে কথা বলবে।
নীলিমা বেরিয়ে গেলো।
নিহালকে সব বলল।
.
নিহাল : কি বলছো কি?
নীড় : ঠিকই বলছে।
নিহাল : নীড় whats happen ? মামনির সাথে এমন করছো কেন?
নীড় : মামনি? তুমি মেরিনকে,তোমার শত্রু কবির ফয়সাল খানের মেয়েকে কিভাবে মামনি ডাকতে পারো?
নিহাল : সেটা নিয়ে তোমার মাথা ঘামাতে হবেনা। আর হঠাৎ করে এই শত্রু মিত্র কথা উঠছে কেন? বিয়ের ১বছর হতে চলল।
নীড় : এটা নতুন কথানা বাবা। পুরানোই। আর আমি মেরিনকে বিয়ে করেছি কেবল আর কেবল প্রতিশোধ নেয়ার জন্যেই। ভালোবাসার জন্য না…
নিহাল ঠাস করে নীড়কে থাপ্পর মারলো।
নিহাল : কিসের প্রতিশোধ ? আমার শত্রুতা আমাকেই পালন করতে দাও। বুঝতে দাও । তোমাকে এ নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না।
নীড় : কি করে মাথা না ঘামাই বাবা? যে লোকটা আমার দাদুভাই-দীদাকে জানে মেরেছে , ফুপিকে রেপ করে then মেরে ফেলেছে সেই লোকটার সাথে শত্রুতা তবে কি করে কেবল তোমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে বলো তো?
নিহাল : তুমি কি করে এগুলো জানলে?
নীড় : বাবা…. কোনো বাবা যেমন সন্তানদের মলিন মুখ মেনে নিতে পারেনা… চোখের পানি মেনে নিতে পারেনা … তেমনি সন্তানেরাও বাবার মলিন মুখ আর চোখের পানি মেনে নিতে পারেনা। আর তাই আমি আর আপুও পারিনি। ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম আমাদের বাবার মন সবসময় খারাপ থাকে কেন ? হাসেনা কেন ? মাঝেমাঝেই লুকিয়ে কাদে কেন ? মামনির কাছেও এর উত্তর ছিলোনা। কারন মামনি নিজেই জানতোনা। আর তাই আমরা ২ভাইবোন সত্য খোজার কাজে লেগে পরলাম। আর যখন জানলাম তখন বুঝতে পারলাম কেন তোমার মন খারাপ থাকে? কেন তুমি হাসোনা? যখন নিজের best friend নিজের সাথে এতো বাজে কিছু করে তখন ১টা মানুষের এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক । এতো বাজে কাজ করেও পাওয়ারের কারনে বেচে আছে ।
নিহাল : …
নীড় : যেদিন সত্যটা জানলাম সেদিনই আমি আর আপু ঠিক করেছি যে বরবাদ করে দিবো ওই কবির ফয়সাল খানকে ।
নীলিমা : এসব কি বলছিস তুই?
নীড় : হ্যা মামনি।
নীলিমা: মনিও? এ কারনেই কি মনি এতোদিন ধরে…
নীড় : হ্যা মামনি। যখন আপুকে দেখবে তখন আরো বড় surprise পাবে।
নীলিমা : মানে?
নীড় : দেখলেই বুঝবে। বাবা… আমি কেবল তোমার মুখে হাসি ফোটাতে চাই ।
নিহাল নীড়ের হাত ধরলো।
নিহাল : বাবা… প্রতিশোধের নেশা বড় বাজে নেশা… এই খেলা তুমি বন্ধ করো । পাওয়ার টাওয়ার কিছুনা । কবির আজও বেচে আছে কারন …
নীড় : কারন তুমি তার দেয়া কিডনি carry করছো…
নিহাল : না … সেটা না। আসলে…
নীড় : কোন আসল নকল না বাবা… গুলি ১বার বেরিয়ে গেলে সেটা যেমন আর ফেরানো যায়না , থামানো যায়না তেমন আমিও আর থামতে পারবোনা।
নিহাল : যা হয়েছে তাতে মামনির কি দোষ?
নীড় : ওর দোষ ১টাই ও কবির ফয়সাল খানের মেয়ে । প্রানভ্রোমরা…
নিহাল : in that case… আমিও দেখি তুমি মামনির সাথে বাজে কিছু করো কি করে?
নীড় : বাবা চৌধুরী সম্রাজ্ঞের পাওয়ার এখন আমার আপুর হাতে। u are nothing … আর যদি বাবা হওয়ার দাবি নিয়ে বাধা দাও তবে আগে মেরিনকে জানে মারবো এরপর নিজে মরবো ।
বলেই নীড় বেরিয়ে গেলো।
.
রাতে…
নীড় রকিং চেয়ারে বসে আছে। মাথায় হাত দিয়ে।
মেরিন সারাদিন ভেবে ১টা উপসংহারে এসেছে।
মেরিন : এমনও তো হতে পারে যে নীড় কোনো চাপে পরে এমনটা বলছে… বাধ্য হয়ে… হয়তো এসবের পিছে অন্যকারো হাত আছে… নির্ঝর অথবা নিরব।
মেরিন রুমে গেলো। মেরিন নিচে বসে নীড়ের কোলে মাথা রাখলো । নীড় তাকিয়ে দেখে মেরিন। অনেক বেশি অবাক হলো।
মেরিন : জান… আমি জানি আমার নীড় কখনোই এমন করতে পারেনা…. হয়তো পরিস্থিতর শিকার… হয়তো কারো চাপে পরে বাধ্য হয়ে এসব বলছো। কারন যে নীড় সবসময় আমার ঢাল হয়ে দারিয়ে ছিলো সে নীড় কখনোই আমার সাথে অমন করতেই পারেনা…. আমি জানি…. বলোনা সত্যিটা …. এর পিছে নির্ঝর আর নিরবে নেই তো….
এতোটুকু শুনেই নীড় হা হা করে হেসে উঠলো। পাগলের মতো হাসতে লাগলো । মেরিন অবাক হলো। নীড় মেরিনের চুলের মুঠি ধরে তুলে
বলল : no my love… নীড়কে control করতে পারে এমন সাধ্য কারো নেই । আর নিরব-নির্ঝর ? হ্যাহ… they were just cartoon … ওরা আমার ইশারায় নেচেছে । আমি ওদের কথায় না। আমিউ নির্ঝরের পরিবারের সবাইকে kidnap করিয়ে ওকে দিয়ে সেদিন ওগুলো বলিয়েছি । আর তোমার সাথে অমন করতে বলেছি । যেন আমি হিরো সেজে তোমাকে বাচাতে পারি। তোমার বাবার ধারনা ভুল প্রমান করতে পারি…. আর হয়েছেও তাই। আর নিরব… তোমার engagement এর দিন… আমি ওর পরিবারকে kidnap করে ওগুলো করতে & বলতে বলেছি । বুঝেছো জান… নিরব-নির্ঝরকে বলেছিলাম যদি সেদিন আমার কথা মতো অমন না করে তাহলে ওর মা-বাবাকে তো মারবোই । আর তার সাথে ওদের বোনের রেপও করাবো। হ্যা এটাও সত্যি যে ওরা আমাকে চিনতোনা… আমার কথাতেই যে ওরা এমন করেছে সেটা জানতোনা। ওদের কাছে আমি অচেনা ছিলাম…
মেরিন : …
.
নীড় : লন্ডনে সেই ডনের সাথে তোমাদের ঝামেলা এমনিতেই হয়নি.. আমি করিয়েছিলাম । যেন তোমরা দেশে ফিরো। cold storage ঘাপলা আমিই করেছি… তোমাকে পানিতে আমিই ফেলেছিলাম … মানে আমি না.. লোক দিয়ে… পানিই আমার দুর্বলতা । আমি তো দূর থেকে তোমার ডুবে যাওয়া দেখছিলাম । ভেবেছিলাম নির্ঝরই বাচাবে । but কোথায় থেকে নিরব হাজির হলো । stupid … তারপর সেই বৃষ্টির দিনে তোমার ওপর attack … but ওই ২টা কার্টুন হাজির হলো। ভেবেছিলাম plan flop…. but তুমি আমার হেরে যাওয়া বাজী জিতিয়ে দিলে । ওদের কাছে থেকে পালিয়ে গিয়ে । ওই বুড়া-বুড়ি… ওরাও আমার লোক… তোমার বাবা বুঝে গিয়েছিলো ১ম দিনেই । তাইতো আমাকে মাইর খাওয়ালো। তবে বিশ্বাস করো আমি সে কারনে তোমার বাবার ওপর হামলা করাইনি। সব pre planned … scholarship সেটাও আমার plan এর অংশ। কারন তোমার সাথে প্রেম-প্রেম ভালোবাসা-ভালোবাসা খেলা যে খেলবো । সেই যে আসল shark এলো ওটাও আমিই আনিয়েছিলাম। management কে তুমি যখন order দিচ্ছিলে… আমি দেখেনিয়েছিলাম…
মেরিন : ….
নীড় : ওই যে গুলি খাওয়া… আরে আমি তো এমন ভাবেই নিজেকে গুলি মেরেছিলাম যেন বেচে থাকি… উদ্দেশ্য ছিলো বাবা আর কবির ফয়সাল খানকে বিয়ের জন্য রাজী করানো। & its worked … আমাদের বিয়ে হলো। ওহ আমাদের 1st night…. সেদিন আমার হিংস্রতা… সেটাও আমার করানো। নিজের খাবারে নিজেই drugs মিশিয়েছিলাম। কারন যদি drugs এর নেশায় না থাকতাম তবে ১টা মেয়ের সাথে অমন করতে পারতামনা। কারন আমিতো নিহাল আহমেদ চৌধুরীর ছেলে… কবির ফয়সাল খানের না….
মেরিন : ….
নীড় : আর কি কি করেছি বলতে হবে? 😏।
মেরিন : থাক আর বলতে হবেনা। আপনি যে ১জন মহান মানুষ সেটার প্রমান আর কতো দিবেন। ধন্যবাদ সব জানানোর জন্য । মানতেই হবে কি brain আপনার । mind blowing …. কালকে থেকে অনেক কান্না করেছি ।আপনার এই কথা শক্তিতে আমার কান্না তো বন্ধ হলো । আপনার ভালোবাসা ভালোগিরি সব নাটক ছিলো । কিন্তু… আমার ভালোবাসা নাটক ছিলোনা । আপনি আমার ভালোবাসা দেখেছেন। এখন থেকে ঘৃণা দেখবেন। আমি 1000% sure যে আমার বাবা নির্দোশ । কিন্তু যদি আমার বাবা নির্দোশ না হয় অপরাধী হয় তবে আমি নিজের হাতে আমরা বাবাকে শাস্তি দিবো । কসম আল্লাহর।
নীড় : oh really ? তো কি শাস্তি দিবে তুমি তোমার বাবাকে?
মেরিন : আমার বাবার শাস্তি নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবেনা। আপনি নিজের চিন্তা করুন । আপনার পরিনতি কতোটা যে ভয়াবহ হবে সেটা কেউ জানেনা।
.
২মাসপর…
নীড় মেরিনকে গৃহবন্দী করে রেখেছে । বাড়ির সব কাজ করাচ্ছা । যথেষ্ট কষ্ট দিচ্ছে । আর খান সম্রাজ্ঞ নিজের তো করে নিয়েইছে । কবির-কনিকাকেও শাস্তি দিচ্ছে। খান বাড়িতেই ২জনকে কাজের লোকের মতো থাকতে হচ্ছে কবির-কনিকাকে । নিহাল-নীলিমা নীড়কে বাধা দিতে গেলে মেরিনের আরো কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে । আর মেরিন নীলিমাকে ওই ছবিগুলোর কথা বলেছে । আর অনুরোধ করেছে যেন ওরা নীড়কে কিছু না বলে। কারন বললেই কবির-কনিকার ওপর অত্যাচার হবে । মেরিন কবিরের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি। কিন্তু আজকে নীড় অনেক খুশি । মেরিনকে নানাধরনের খাবার রান্না করতে বলেছে। অনেক খেলনা কিনে এনেছে। সারাবাড়ি বেলুন দিয়ে নিজের হাতে সাজিয়ে fresh হতে গেলো । মেরিন কিছুই বুঝতে পারলোনা। হঠাৎ দেখলো বাড়িতে ১টা মহিলা ঢুকছে। ছোট ১টা বাচ্চা কোলে নিয়ে । একেবারে ছোট বাচ্চা । মেরিন দেখতে নিলো । আর দেখলো এটা অধরা।
মেরিন: ভা…বী…
সব ফেলে মেরিন দৌড়ে গিয়ে অধরাকে জরিয়ে ধরলো।
মেরিন : ভভভাবী… তুমি বেচে আছো ? ঠিক আছো? তারমানে ভাইয়াও বেচে আছে? কোথায়? বাহিরে ?
অধরা : নেই… 😢…
মেরিন : …
অধরা : তোমার ভাতিজাকে কোলে নিবেনা?
মেরিন : ভভভাতিজা?
.
অধরা : হ্যা ভাতিজা… আমার আর মেঘের সন্তান… অনুভব খান সেজান… কোলে নিবেনা বুঝি?
মেরিন অনুভবকে কোলে নিয়ে চোখে মুখে অসংখ্য চুমু দিলো।
নীলিমা : আরে মনি…
অধরা : মামনি…
বলেই দৌড়ে গিয়ে নীলিমাকে জরিয়ে ধরলো। মেরিন অবাক হলো।
নীড় : আপু…
নীড় এসে অধরাকে জরিয়ে ধরলো। মেরিন কিছুই বুঝতে পারছেনা।
নীড় : জান… মেরিন… meet my আপু। অধরা চৌধুরি মনি….
.
চলবে….