বস বয়ফ্রেন্ড Season-4

বস বয়ফ্রেন্ড Season-4 ! পর্ব- ৫

রাদ- পরিচয় পর্ব lunch টাইম এ সেরে নিবা
সবাই।
এরপর আর যেন এমন না হয়।
and miss ador follow me.
.
আদর- ( আল্লাহ বাঁচাই ও আমাকে)
স্যার এর পিছন পিছন গেলাম।

রাদ- চেয়ারে বসলাম।
মিস চারচোখ

আদর- আমি বড় বড় চোখ করে তাকালাম।

রাদ- চোখ নামাও। নামাও বলছি।

আদর- আমি পারছিনা কেঁদে দিতে।
কিন্তু নিজেকে সামলালাম।
( জংলি একটা কিন্তু জংলি ত চুল কেটে
ছোট ছোট করে ফেলছে)

রাদ- কিছু ফাইল সামনে ছুড়ে দিলাম।
এগুলা চেক করে আমার কাছে দিয়ে যাবা।

আদর- জি স্যার।

রাদ- আর হ্যা আমি ব্লাক কফি পছন্দ করি
without suger.
.
আদর- ( চিনি ছাড়া খায় দেখেই ত এত তিতা,
কই বাত নেহি আজ ত মাত্র আসলাম আগে
আগে দেখো হো তা হে কেয়া)

রাদ- নেও কফি বানিয়ে নিয়ে আসো আমার
জন্য।

আদর- ( পোলা আমাকে চাকর বানায় ছাড়ল)

জি স্যার।
কেন্টিন ২ তালায়। গেলাম কফি বানিয়ে
গেলাম স্যার এর কেবিন এ।
সুয়ার আসব??

রাদ- হুম।
কফি টেবিল এ রেখে যাও।

আদর- জি স্যার।
পরে নিজের টেবিল এ যেয়ে কাজ করতে
লাগলাম।

আধা ঘন্টা পর হঠাত স্যার মিস আদর বলে
চিতকার দিয়ে উঠলেন।
আমার হাতের থেকে কলম টা ঠাস করে পরে
গেল।
দোড় লাগালাম।

জি স্যার কি হয়েছে।

রাদ- এটা কফি? ?

আদর- জি স্যার।

রাদ- না এটা কফি না।
এটা শরবত।

আদর- ২০ জনম পরে খেলে ত এমন ই হবে।

রাদ- কি বললে।

আদর- কই কিছুনা।

রাদ- আবার যাও আনিয়ে আনো।
যাও( ধমক দিয়ে)

আদর- রাগে ফস ফস করতে করতে গেলাম।

রাদ- ( এখন ত শুরু মাত্র.!!! আমাকে দিয়ে সরি
বলানো তাইনা।
আরো সইতে হবে তোমাকে মিস চারচোখ)

আদর- শালা পাজি হারামি কুত্তা পচা
টমেটো, পচা ডিম ঠাডা পরুক তোর উপর।

: mam wht r u saying.
.
ador- nothing nothing.
যাক বাবা বাংলা বুঝেনা বেচে গেলাম।

রাদ- এত দেরি লাগে কফি আনতে।

আদর- মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছি।

রাদ- দাড়িয়ে আছো কেন? ? কাজে যাও
idiot.
আদর- ( কিহ আমাকে ইডিয়ট বলা) ( উফফ আর
সহ্য হচ্ছেনা)বেরিয়ে
এসে কাজে মন দিলাম।
টেবিল এ বসতে না বসতে আবার স্যার এর
ডাক।
উফফ আল্লাহ আবার ডাকে কেন??

জি স্যার।

রাদ- কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে আবার আনো।

আদর- ইয়া মাবুদ।

রাদ- কি বললা??

আদর- কিছু না ত
যাচ্ছি এখনি।
( এইভাবে ৫-৬ বার কফি নিয়ে ২তালা আর ৩
তালা করেছি সিড়ি দিয়ে।)
তারপর টেবিল এ এসে বসলাম।
টেবিল এ মাথা রাখলাম
( আমার এমনি তেই ওজন অনেক কম।
আর এই বেটার জন্য মনে হচ্ছে ১ দিনেই
আমার আরো ১০ কেজি কমে গেল)

রাদ- সবে ত শুরু।
আরো বাকি আছে মিস চারচোখ।
আদর!!! মিস আদর!!

আদর- ( মনে মনে আমার কান্না করতে ইচ্ছা
করতেছিল।
কই চাকরি নিলাম রে বাপ।
যাই হক আমিও কম না।
আমার ও সুযোগ আসবে।)

জি স্যার।

রাদ- ফাইল গুলা দেখা শেষ? ?

আদর- না স্যার।
আর ২ টা বাকি।

রাদ- ত এতক্ষন কি করলা? ??
কাজ বাদ দিয়ে গল্প??

আদর- স্যার কফি নিয়েই ত দৌড়াদৌড়ি
করছিলাম।
তাই আরকি….

রাদ- আবার মুখে মুখে কথা।
ফাইল শেষ করে নিয়ে আসো।

আদর- ঘড়ি র দিকে তাকিয়ে দেখি ২ টা
বাজে।
এখন ত lunch time sir.
রাদ- আগে কাজ পরে লাঞ্চ।

আদর- মুখ ভাড় করে বেরিয়ে এলাম।
ফাইল দেখছিলাম।

আহিল- কি ম্যাডাম।
খাবেন না? ?

আদর- আজ আর খাবার আমার কপালে নেই।
ফাইল ২ টা দেখা শেষ হয়নি যে।

আহিল- পরে দেখো।

আদর- স্যার আমার ১৩ বাজাবে।
থাক আগে ফাইল দেখে নেই।
ফাইল শেষ করে দেখি লাঞ্চ টাইম শেষ।
স্যার এর কাছে ফাইল নিয়ে গেলাম।
রাদ- ফাইল গুলা রাখে যাও।
আর এটা আমাদের নিউ প্রজেক্ট এর ফাইল।
এটা দেখো।

আদর- জি স্যার।

আহিল- কি ব্যপার খাবেনা।

আদর- ক্ষুদা নেই এখন।

আহিল- কিন্তু! !!

রাদ- আদর,!!!
।।আদর-
yes sir.
.
রাদ- কি দেখলে।
এইখানে ত ভুল রয়েই গেছে।
আবার ঠিক কর।

আদর- কাজ শেষ হল ৮ টায়।
সবাই এখন বাসায় যাচ্ছে।

আমি স্যার এর কাছে ফাইল জমা দিতে
গেলাম।
তারপর বাসায় যাব।

স্যার আসব।

রাদ- হুম।
আরে কোথায় যাচ্ছ? ? দাড়াও এইখানে।
আমি আগে ফাইল চেক করে নেই।
ভুল থাকলে বাসায় নিয়ে যাবা।

আদর- জি।
আমার মাথা কেমন যেন ব্যথা করছিল।
খুব দুর্বল ও লাগছিল।
মাথা ব্যথায় খুব অস্থির লাগছিল।
মাথায় হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছি।

রাদ- ফাইল দেখতে দেখতে আদর এর দিকে
চোখ গেল মাথায় হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছে।
আমি আবার ফাইল দেখতে শুরু করলাম।পরে
দেখি ও চোখ বন্ধ কিরে দাড়িয়ে আছে।
ব্যপার টা কি?
এবার দাড়িয়ে ফাইল নিয়ে ওর সামনে
গেলাম – আদর !!

আদর- জি স্যার বলে যেই চোখ খুলেছি আর
মাথা ঘুড়ে পরে যাচ্ছিলাম।

রাদ- খপ করে ওকে ধরলাম।
আদর!! আদর! !!
আরে ও ত অজ্ঞান হয়ে গেছে।
কোলে তুলে নিয়ে নিচে গেলাম।
ড্রাইভার hospital এ চল জলদি।

হাসপাতাল এ-
ডাক্তার – তেমন কিছু হয়নি।
প্রেসার লো।
তাই মাথা ঘুরে পরে গেছে।
ওর খাওয়া দাওয়া ভাল মত করতে হবে।
শরীর এর কি অবস্থা দেখতেই ত পাচ্ছ।

আচ্ছা এটা কে হয় তোমার।

রাদ- আংকেল ও আমার অফিসে আজ নিউ
জয়েন করেছে ( ফিলিপ আংকেল আমার
ফেমিলি ডাক্তার)

আদর- চোখ খুলে আরে আমি কোথায়? ?
এইখানে কিভাবে আসলাম।

রাদ- তোমার নাম চারচোখ থেকে trouble
maker দেওয়া দরকার।
দুপরে খাওনি।

আদর- মাথা নেড়ে না বুঝালাম।

রাদ- আমি ত বলেছিলাম ফাইল ২ টা দেখে
খেতে।

আদর- তখন লাঞ্চ টাইম শেষ হয়ে গিয়েছিল
আপনি যদি বকেন তাই আরকি? ?

রাদ- ১ দিন একটু খাওনি তাই এই অবস্থা? ?

আদর- আসলে ছোট বেলা থেকেই না খেয়ে
থাকলে আনার সমস্যা হয়

রাদ- whatever. তোমার বাসা কোথায়।

আদর- আমি একাই যেতে পারব।

রাদ- অনেক রাত হয়েছে।
আমি দিয়ে আসছি।
চল এখন।

আদর- ( হুহ ঢং। আমার এমন হল ত তার জন্যই
আবার দরদ দেখাচ্ছে!!
মরন)

রাদ- গাড়ি তে উঠ।

আদর- গাড়ি তে উঠে বসলাম।
(আমার ব্যাগ ত অফিসেই। মা জানিনা কত
ফোন দিয়েছে)

বাস বাস এইখানে থামান। ওইটা আমাদের
বাসা।

রাদ- আদর এই নেও

আদর- ঘুরে দেখি আমার ব্যাগ।
ব্যাগ টা নিয়ে বাসায় গেলাম।
আম্মু- কি রে তোকে কত ফোন দিয়েছি
জানিস।
কই ছিলি। ফোন কেন ধরিস নি।

আদর- ( ওই কথা বললে শুধু শুধু টেনশন করবে)
আরে কাজের চাপ ছিল।
তাই আরকি।
আচ্ছা খেতে দেও।
খুব ক্ষুদা লাগছে।

আম্মু- ফ্রেশ হয়ে আয়।

আদর- শাওয়ার নিয়ে বের হলাম।
এখন মাথা ঠান্ডা লাগছে।

খাওয়া দাওয়া শেষ এ কফি নিয়ে বারান্দা
তে গেলাম।
ভাবছি ওই জল্লাদ কে কি করে শায়েস্তা
করা যায়।
ওই পোলা ত ১ দিনেই আমাকে হেনস্ত করে
ছাড়ল।

বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *