বস বয়ফ্রেন্ড ! season-3

বস বয়ফ্রেন্ড ! season-3 পর্ব- ০৩


কোট টা খুলে চেয়ারে রাখলাম।
শার্ট এর হাতে গুটাতে গুটাতে তারার দিকে
এগিয়ে গেলাম।

তারা- পিছাতে পিছাতে দেওয়ালের সাথে
মিশে গেলাম।

মেঘ – তারার ২ পাশে হাত রাখলাম।

তারা- ভয়ে আত্তা বের হয় যাওয়ার মত
অবস্থা।

মেঘ – মুখ আগাতেই তারা চোখ বড় বড় করে
ফেলল।
আমি আরেক্টু এগিয়ে গেলাম।
তারপর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম তুমি
কি শনি বারে জন্ম নিয়েছিলা?

তারা- এমন কথায় আমি কেমন রিয়েক্ট করব
বুঝতে পারলাম না।
কেন?

মেঘ – কারন তুমি আশে পাশে থাকলে আমার
কপালে শনি ঘটে।

তাই আরকি

তারা- বাবা কে আস্ক করতে হবে।

মেঘ – চুপ।( ধমক দিয়ে)
আল্লাহ কি দিয়ে যে তোমাকে বানাই ছিল।

তারা- মাটি।

মেঘ – রাগে অর দিকে চাইলাম।
কোট টা নেও।
তারা- কেন???

মেঘ – ধর এটা।

তারা *: আমি কি করব? ?

মেঘ – এটা ক্লিন করে কাল কে নিয়ে আসবা.

তারা – কিহ।

মেঘ – যাও ( ধমক দিয়ে)

তারা – ভাগলাম।
হিয়ার বাচ্চা হিয়াতোর জন্য এটা হল।
কুত্তি একটা।

হিয়া – সরি দোস্ত।
তারা- রাখ তোর দোস্ত।

বাসায়-
বাবা কে দেখানো যাবেনা।
নাহলে আরেক কেলেংকারি ঘটবে।

পরের দিন –
তারা – কিরে আজ উনার আসার নাম ঘন্ধ নেই
ব্যপার কি?

ফোন দোব? ?
আমি কেন ফোন দিতে যাব?
হুহ।
না আসলে না আসুক।

মেঘ – মা আমি একটু বেরচ্ছি কাজ আছে।
আরে অই কোট টা তো তারার কাছে।
ফোন করে বলে দেই বাসায় দিয়ে যাক।

ফোন বেজে উঠল।
তারা- হ্যালো।

মেঘ – কোট টা নিয়ে বাসায় চলে আসো।

তারা- আমিতো চিনিনা।

মেঘ – ঠিকানা বলে দিচ্ছি চলে আসো।

তারা – দুর এ আবার কি মুসকিল।
বাসার সামনে রিক্সা নিয়ে গেলাম।
অমা এটাতো রাজ প্রাসাদ।
কুত্তাটা ভালো টাকা কামাই করে বুঝা
যাচ্ছে।

নক করলাম।
দরজা খুলল কে যেন।
মিমি : কাকে চাই।

তারা : মেঘ স্যারের অফিস থেকে এসেছি।

মিমি – আসুন।
এইখানে বসুন।
স্যার নেই।
আমি ম্যাম কে ডাক দিচ্ছি।

তারা – ম্যাম কে?

মিমি : স্যারের মা।

তারা – অহ আমি ভাব্লাম তার বউ।
হেহেহে
মেঘের মা –
তুমি কে?

তারা – ম্যাম আমি স্যারের অফিস থেকে
এসেছি।
উনার কোট…

মেঘের মা- অর কোট তোমার কাছে? ?

তারা – হ্যা মানে।

মা – তোমার নাম কি

তারা- তারা।

মা – বাবার নাম?

তারা- রফিক রহমান।

মা – আরে তুমি কি মেঘের স্যারের মেয়ে?

তারা – জি।

মা- ও সারাদিন স্যারের কথা
এখনো বলে।
আমি কতবার বলেছি তোমাদের নিয়ে আসতে
কিন্তু অর নাকি সময় ই হয়না।

তারা – ম্যাম আমি আসি এখন।

মা – আরে কি ম্যাম ম্যাম করছ আনটি বল।
আর এখন যাওয়া হবেনা।
আমি তোমার সাথে গল্প করব।
তারা – কিন্তু স্যার।

মা – আরে কিছুই হবেনা আমি আছি না।

তারা – আমরা গল্প করছিলাম।
সারাদিন পাড় হয়েগেল।
আনটি সন্ধা হয়ে যাচ্ছে আমি এখন আসি।

মা- না খেয়ে দেয়ে তারপর যাবা।

তারা * না আনটি।
আজ আসি।

মেঘ – মা! মা!
কিরে তারা! এইখানে এখনও?

তারা কি করছ এখানে।

মা- এই এই ছেলে অকে কিছু বলবিনা।
আমি অকে থাকতে বলেছি।

আর হ্যা শুন কাল কে আমি তারাকে অর
বাবার সাথে আসতে বলেছি।

মেঘ – আচ্ছা আচ্ছা।

তারা – আনটি আমি আসি।

মা- হ্যা মা ভালো মত যাও।
রাতে-
মা – কিরে ঘুমিয়ে পরেছিস?”

মেঘ – তুমি উপরে আসলে কেন?
মিমি কে বলতে আমি ই নিচে আসতাম।

মা- আচ্ছা তুই কবে বিয়ে করবি বল তো।

মেঘ – হঠাত এই কথা?

মা – আমার না তারাকে খুব পছন্দ হয়েছে।
জানিস অ কি সুন্দর রান্না পারে।
আজ অ রান্না…

মেঘ – মা কি বলছ কি তুমি
বিয়ে তাও তারা কে? ?

মা – কেন কি হইছে?

মেঘ – পাগল হইছ তুমি।
আমার অকে একটু ও পছন্দ না।

মা- তোর কি পছন্দ বলতো।

মেঘ – সময় হলে বলব।
যাও এখন ঘুমাও।

বিয়ে আর তারাকে ??
মাথা খারাপ।
উফফ
কাজের মুড নাই এখন।

সকালে –
মা – শুন তারা কে নিয়ে তুই চলে আসবি কিন্তু
বাসায়।
আমি অর বাবাকে ফোন দিয়েছি অর বাবা
দুপরে চলে আসবে।

মেঘ – তুমি এতসব কখন করলে? /

মা – তকে জানতে হবেনা।
তুই তোর কাজ কর।

মেঘ – উফফ।
আমি যাচ্ছি

তারা – হিহি কাল্কে আনটির সাথে খুব মজা
হইছে।

হিয়া – ওই ওই স্যার আসছে।

অল – good mrng sir.
.
megh – hmm
.
তারা- আমার দিকে এমনে তাকায় আছে
কেন? ?কি করলাম আবার।”

মেঘ – তারা চল।
তারা – কই স্যার।

মেঘ – কথা বলনা চল।
হাত ধরে গাড়ি তে বসালাম।

তারা- কোথায় যাচ্ছি।

মেঘ – বাসায়।

তারা- অহ আচ্ছা।

রফিক সাহেব – ভাল আছেন মিসেস চৌধুরী।

মেঘের মা – জি।
আপনি ভাল আছেন?
তারা এখনি চলে আসবে মেঘের সাথে।
আসলে আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম
আপনাকে।
আমার তারাকে খুব পছন্দ মেঘের জন্য।

তারার বাবা – কি বলেন এটা তো আমার
তারার ভাগ্য।
কিন্তু মেঘ কি রাজি হবে?

আর তারাও তো মনে হচ্ছে হবেনা।

মা – সেটাই তো দু:খ।

তারার বাবা- ওর বিয়েটা এবার ঠিক করতেই
হবে।

কথা বলতে বলতে মেঘ তারা হাজির।

মেঘ – আসসালামু আলাইকুম স্যার ভাল আছেন।

তারার বাবা – হ্যা ভাল।
তুমি ভাল আছো।

মেঘ – জি স্যার।

মেঘের মা – তারা আয় তো আমার সাথে।

তারা – জি আনটি।

মেঘের মা – এগুলা একটু খাবার টেবিল এ
রেখে আয়।
কাজ করাচ্ছি মনে কিছু নিস না।

তারা- আরে কি যে বলেন না আনটি কোনো
প্রব্লেম নাই।
তারা – খাবার সার্ভ করে দিলাম।
পানি দিতে যেয়ে পরল স্যার এর উপর
সরি সরি
মেঘ- কিছু বললাম না । মা চেঞ্জ করে আসি।২বার চেঞ্জ
করলাম।কারন এর আগে অর সাথে ধাক্কা খেয়ে সবডাল পরে
আমার উপর

খাওয়া শেষে-

মেঘের মা – মেঘ অকে বাড়িটা ঘুরে দেখা।

মেঘ – হুম।

তারা – সব ঘুরে ছাদে গেলাম।
খুব ভাল লাগছিল।
ঠান্ডা বাতাসে খুব ভাল লাগছে।ছাদে
বৃষ্টির পানি জমে আছে।হাটছি আর ঝপ ঝপ
শব্দ হচ্ছে।

মেঘ – তারা সারা ছাদ ঘুরে দেখছে।পানি আর তারার পায়ের
নুপুরের শব্দ মিলে অন্য রকম সুর সৃষ্টি করছে
ফোনে কথা বলছিলাম।
হঠাত তারার দিকে চোখ গেল বাতাসে অর
চুল উরছে অ বার বার কানের পিছে নিচ্ছে।
।আমি চেয়ারে বসলাম।
তারা-আমি স্যারের দিকে তাকিয়েছিলাম।

মেঘ- কি দেখছ?

তারা-( এই devil এত handsome । not fair) না না
আপনার কানের দুল দেখছি। কি যে দিন এল
মেয়েদের জিনিস ছেলেরা পরে।

মেঘ- অ হ্যালো। এটা পরার পর কত মেয়ে আমার উপর
ক্রাশ খেয়ে কত অজ্ঞান হল।

তারা- ক্রাশ খেয়ে না ওরা আপনাকে
এততদিন ছেলে ভাবত এখন দেখল মেয়ে ।তাই
অজ্ঞান হইছে হেহে।

মেঘ- কি বললে?
তারা- না না কিছু না।
মেঘ- কিছু না । না? টেনে নিজের কাছে
নিতেই পিছলে খেয়ে ২জনেই পরলাম।তারার মাথা আমার বুকে।

তারা- কি করলেন এটা? এখন আমি বাসায়
যাব কি করে।
মেঘ – ভাল হইছে

তারা আমি নিচে গেলাম

নিচে বাবা আর আনটি কথা বলছিল।

বাবা ?
মেঘের মা-কিরে এই অবস্থা কেন?
মেঘ – চেঞ্জ করে নামলাম ছাদে পরে
গেছে।

তারা- ( liar)নিজে ফেলে দিলতা বলবেনা

আনটি -আয় আমার সাথে।১ টা শাড়ি পরিয়ে
দিলাম।
মেঘ- হ্যা হয়ে তাকিয়ে আছি।
।মেয়ে টাকে শাড়ি তে এত সুন্দর লাগছে।

আনটি – আবার আসিস।
তারার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম।

তারা -( মা রা মনে হয় এমনি ভাল হয়)

বাসায় –
বাবা – কিরে এইভাবে বসে আছিস কেন।

তারা- মাকে খুব মনে পরছে।
বাবাকে জরিয়ে ধরলাম।
বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে।
.
continue. …
বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *