বস বয়ফ্রেন্ড Season 2

বস বয়ফ্রেন্ড Season 2 ! পর্ব- ১০

তারার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম।

তারা : গেঞ্জি ধরে টেনে পা ঢাকার বৃথা চেস্টা
করছি আর পিছে যাচ্ছি।

মেঘ : টেনে আর কি হবে? ?
ওর একে বারে সামনে যেয়ে দাড়ালাম।


তারা : ইয়ে মানে।

মেঘ : হুমম।

এইসবের শখ কবে থেকে হল।

তারা : শখ না। রুমি সুমি দিল তাই একবার ট্রাই করলাম

মেঘ : তারার মুখের দিকে একটু নিচু হয়ে অর
দিকে তাকালাম

বেচারির মুখ শুকিয়ে গেছে।

যাও চেঞ্জ করে আসো।

তারা : দিলাম ভো দৌড়।
আল্লাহ

তারা : সন্ধায় উনার সাথে একবার চোখাচোখি হল।
উনি মিটমিট করে হাসছেন।

আমি রাগ নিয়ে রুমি সুমির দিকে তালালাম।

অরা ইশারা তে ক্ষমা চাচ্ছে।

মেঘ : তারা কোথায় যাচ্ছ।

তারা : ইরার কাছে।

মেঘ : চল। আমিও যাব।

তারা : না লাগবেনা।

মেঘ : চুপ চল।

গাড়িতে।

মেঘ : কোথায় ইরা।

তারা : city market.অই যে ইরা থামান থামান।
.
মেঘ : কাজ শেষ হলে ফোন দিবা।
নিয়ে যাব।

তারা : অবাক হলাম। কিছু বলার আগেই চলে গেল।

ইরা : বাহ এমন বস+বয়ফ্রেন্ড থাকলে আর কি
লাগে।

তারা : কি বলিস এইসব।

ইরা : ঠিকি বলি।

তারা : কইছে তোমারে। চুপচাপ চল।

( এটা কি হতে পারে? দুর কি সব ভাবছি)

ইরা : কিরে কাকে ফোন দিচ্ছিস।

তারা ; উনাকে।

ইরা : অল্লে বাবা সে উনাটা কে।

তারা : চুপ করবি। স্যার কে দিচ্ছি।

ইরা : অই দেখ ফোন না দিতেই তোমার উনি চলে
এসেছে যাও।

তারা : গাড়ি তে উঠলাম।
হঠাত গাড়ি থেমে গেল।

ততারা : কি হল।

মেঘ : কি জানি।

তারা : আর কতক্ষণ বসে থাকব।
সামনেই আছি বাসার চলুন হেটে যাই।

মেঘ : চল।
আমরা হাটছি।
হঠাত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হল।

খারাপ না।
পাশা পাশি হাটছি।
মাঝে মাঝে তারার হাতের সাথে আমার হাত বাড়ি
খাচ্ছে।
ধরতে ইচ্ছা করছে ওর হাত।

খপ করে ধরে ফেললাম।

ততারা ; কি হল।হাত ধরলেন কেন।

মেঘ : হাত না ধরলে আমি পরে যাব।

তারা : কিহ।

মেঘ : হুম। দেখছনা কি পিছলা রাস্তা।

তারা অন্য দিকে তাকিয়ে মিটমিট করে হাসছে।
সাথে আমিও।

বাসায় :

মেঘ : তারা চেঞ্জ করে কফি আনো।

তারা : জি।
মেঘ : ( তারাকে সব সময় নিজের কাছে রাখতে
ইচ্ছা করে) তাই বিভিন্ন ছুতা খুজি।

তারা : নিন।

মেঘ : আগে আমার মাথা মুছে দেও।

তারা : ( মাথার তার সত্তিই ছিড়ে গেছে)
।উনি বসে আছেন। উনার সামনে যেয়ে মাথা মুছে
দিচ্ছিলাম।


মেঘ : ২ হাত দিয়ে তারাকে জড়িয়ে তারার পেটে
মাথা রাখলাম।

তারা : অই অই কি করছেন।

মেঘ : তুমি তোমার কাজ করতো।

তারা : এইভাবেই মাথা কিভাবে মুছে? ?

ছাড়ুন ছাড়ুন।

মেঘ : উফফ। সরে।
নেও মুছ।

তারা : মুছা শেষ করে চলে আসলাম।
আসার আগে উনি আজকেও হাতে একটা চুমু
খেলেন।

আমি হাত টা বার বার দেখছি।

কেনো করছেন উনি এমন।
হঠাত এমন পরিবর্তন হল কিভাবে।

পরের দিন :

মেঘ : তারা চল অফিসে।

তারা : জি চলুন।

অফিসে :
ইরা : দোস্ত তোর মত আমার ভাগ্য কবে
খুলবেরে?

তারা : মানে।
ইরা : আমি কবে একটা লাভার পাবোরে তোর মত।

তারা : আমার মত? ???

।ইরা : নেকা। কিছু জাননা।

স্যারের সাথে যে ইয়ে মানে প্রেম চলছে
সবাই জানে।
মিতু দেখেছে।
হাতে হাত রেখে কাল কে ঘুড়তে।
তারা : আরে অটা তো।

ইরা : চুপ করতো।

তারা :কথাটা শুন

মেঘ : তারা লাল ফাইল্টা আন তো।

ইরা : যাও আদর খেয়ে আস
তারা : ইরার মাথায় ফাইল দিয়ে দিলাম বাড়ি
.
তারা : নিন ফাইল।

মেঘ : এইখানে পাশে এসে দাড়াও।
দেখ এইদিকে এইদিকে ভুল আছে। আর এইটাতে
এইখানে।
ওখানে বসে এখনি ঠিক করে দেও।

তারা : উনার দিকে বার বার চোখ যাচ্ছে।
উনি অন্য ফাইল দেখছিলেন।
( ইরা যা বলেছিল তা কি সম্ভব, মানে উনি আর আমি
…).

মেঘ : তারার দিকে চোখ গেল। দেখি চেয়ে
আছে। তারা কিছু লাগবে?

তারা : উহু।

কাজ করছিলাম। হঠাত এক মেয়ে রুমে ঢুকে মেঘ
বলে চিতকার দিয়ে উনাকে জরিয়ে ধরল।
এটা দেখে আমার হাত থেকে কলম পরে গেল।

উনি অবশ্য মেয়েটা কে ধরেন নি।
বরং আমার দিকে তাকিয়ে আছেন।

মেঘ : মেয়েটা কে সরিয়ে আরে ইমু তুই।

ইমু : কিরে কেমন আছিস।

মেঘ : কবে আসলি বাংলাদেশে?

তারা : উঠে দাড়িয়ে- স্যার আমি যাই।

মেঘ : তারা ও আমার ফ্রেন্ড। এক সাথে লন্ডন এ
ছিলাম। এক সাথে থাকতাম।

তারা : কথাটা শুনে অবাক হয়ে উনার দিকে তাকালাম।

মেঘ : না না ইয়ে মানে এক সাথে বলতে একই
বিল্ডিং এ । আমি উপরে ও নিচে। হে হে। হাসি
আসছিল না। তাও জোর করে হাসা আরকি।

তারা : গেলাম আমি।

ইরা: তারা এই মডেল টা কেরে?

তারা : আমি কি জানি তুই যেয়ে জেনে আয়।

ইরা : উফফ রাগ হচ্ছিস কেন।

স্যারের জি.এফ না তো।

তারা : আমি কিছু জানিনা।

ইরা : এইভাবে চিল্লানি দিচ্ছিস কেন।
।বল না কে??

তারা : আমি চিল্লাচ্ছি??

ইরা : না না এটাকে চিল্লানি বলে নাকি। এত ভাল করে
তুই আজ পর্যন্ত কথাই বলিসনি।

তারা : হুহ।

ইরা : তারার দিকে তাকালাম। ও এক অক্ষর লিখছে আর
১০ বার কাটছে। আর স্যার এর রুমের দিকে
তাকাচ্ছে।

ততারা : কিরে আমার দিকে তাকিয়ে আছিস কেন? ?

ইরা : জানু তুমি তো ধরা খেয়ে গেছ।

তারা : কিসের ধরা?

ইরা : ময়না অই দিকে কি দেখ বার বার।

তারা : ক…….ই। কই না তো।

ইরা : কিছু জলার গন্ধ আসছে। নাকে।

তারা : তবেরে।
বলতে বলতে মেয়েটা আর উনি রুম থেকে
বের হয়ে আসল।

ইরা : দেখ দেখ কি হাসাহাসি করছে।

মেঘ : ইমু কে বিদায় দিয়ে তারার দিকে তাকালাম।

যেভাবে তাকিয়ে আছে বাপ রে।

আমিও অর দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।

ইরা : আরে আরে তারা কি করছিস?

তারা : কি কি। কি করলাম।

ইরা : পেজ টা ছিড়ে এমন কুটি কুটি করে ফেললি।
আবার তো এটা করতে হবে।

তারা : উনার দিকে আবার তাকালাম একটু লজ্জা নিয়ে।
উনি কি না কি ভাব্লেন।

দেখি উনি মিটমিট করে হাসতে হাসতে চলে
গেলেন।

মাথা টেবিল এর উপর রাখলাম।
আবার কাজ টা করতে হবে।
নাহ বাসায় নিয়ে যেয়ে করব।

বাসায় :

মেঘ : রুমি তারাকি পরে খেয়েছে।

রুমি : না স্যার।

মেঘ : খাবার আনো।

খাবার নিয়ে তারার ঘরে গেলাম।
দেখলাম সোফায় বসে কাজ করতে করতে
ঘুমিয়ে গেছে।

কোলে করে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আসলাম।
ফাইল টা নিয়ে নিজের রুমে গেলাম।

সকালে :
তারা : কিরে আমি এখানে আসলাম কি করে। আরে
ফাইল টা কই।

মেঘ : এটা খুজছ।
?

তারা : জি। এটা আপনার কাছে? ?

।মেঘ : নেও আমি ঠিক করে দিয়েছি।

নাস্তা করে রেডি হয়ে নেও।

তারা : হুম।
উনি আমার কাজ টা করে দিয়েছেন।
কি খুশি যে লাগছে।
উনি ব্লাক রং খুব পছন্দ করেন তাই আজ সেই রং এর
জামা পড়লাম

মেঘ ; বাহ তারাকে খুব সুন্দর লাগছে।

আমরা খাচ্ছিলাম।
তারা : উনার দিকে চোখ যাচ্ছে বার বার।
এক হাতে ফোন। আরেক হাত দিয়ে খাচ্ছেন।

হুহ ফোনে কি দেখে এত।
আমার দিকে তো তাকাচ্ছেন ঈ না।

মেঘ : চল তারা।
.
চলবে

বিঃ দ্রঃ নিচে Next >> ক্লিক করলে পরবর্তী পর্ব পাবেন..!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *