গিরগিটি বর তাও আবার চুক্তি —পর্ব-০৩
আরে কি করছেন কোলে তুলছেন কেন? ছারুন
বলছি। আপনার সাহুস হল কি করে আমাকে কোলে
নেওয়ার? নামান বলছি,(আমি)
সৌরভ:- তোমাকে কোলে নেওয়ার আমার
কোনো ইচ্ছে নেই। আম্মু দরজার বাহিরে
দ্বারিয়ে আমাদের ডাকছে, আর তোমাকে কখন
দরে ডাকছি, তুমি ওঠছোনা তাই বাদ্য হয়ে কোলে
নিছি। আর শোনো আম্মু জেনো বু্ঝতে না
পারে, আমরা আলাদা ভাবে ঘুমিয়েছি।
আমি:- তাহলে আপনি বিয়েটা কেন করছেন? এর
কারনটা সবাইকে বলে দিন, অন্তত আমাকে বলেন?
কেন এমন ভাবে আমাকে বিয়ে করছেন।
সৌরভ:- তোমাকে যেইটা বলছি সেইটা কর? আর
অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে হবেনা। এরপর সৌরভ গিয়ে
দরজাটা খোলে দিলো।
শ্বাশুড়ি:- কিরে কখন দরে ডাকছি, দরজা খোলছিস না
কেন? ঐশি আর তোকে তোর আব্বু ডাকছে
নিছে আয়।
সৌরভ:- হে আসছি, তুমি যাও। শ্বাশুড়ি চলে গেল,
তখনি,,,, শোনো ঐশি, আব্বু যদি জিগ্যাসা করে
কেনো এমন করে বিয়ে করছি? তাহলে তুমি কিছু
বলবেনা। যা বলার আমি বলবো, আব্বুকে যদি কিছু
বলো, তাহলে আমার চেয়ে খারাপ আর কেও
হবেনা। কি বলছি তুমি বুঝতে পারছো নিশ্চয়?
আমি:- হে বুঝতে পারছি, আমাকে সবার সাথে
মিথ্যাকথা বলে অবিনয় করতে হবে।
সৌরভ:- আমার মনে হচ্ছে এই প্রথম বার তুমি মিথ্যাকথা
বলবে? কথা কম বলে নিছে চলো। আমাকে হাত
দরে সৌরভ নিয়ে যাচ্ছে, আর আমার সারা শরিলে
একটা শিহরন বয়ে যাচ্ছে। তারপর আমরা দুজনে
নিছে এলাম, দেখি সৌরভের পরিবারের সবাই এখানে।
শ্বশুড়:- আমি গত কাল রাতে বাসায় এসে শোনতে
পেলাম, তুই নাকি ঐশিকে বিয়ে করছিস। তুই একদম
ভালো কাজ করছিস, আমি চেয়ে ছিলাম ঐশি এই
বাড়ীর বউ হয়ে আসুক। কিন্ত হঠাত করে বিয়ে
করলি কেনো? আমাকে বলতি, আমি তোদের ধুম
দাম করে বিয়ে দিতাম। তবে এই বিয়েটা আমি
মেনে নিবোনা।
সৌরভ:- ঠিক আছে, এইটা যদি তোমাদের সবার ফাইলান
ডিসিশন হয়ে থাকে। তাহলে ঐশিকে নিয়ে আমি এই
বাড়ী ছেরে চলে যাবো।
শ্বশুড়:- আমার কথা এখনো শেষ হয়নি, আগে সবটা
বলার সুজুগ দিবি? আগামি কাল একটা পার্টি দেবো,
ঐখানে তোদের আবার বিয়ে হবে। তারপর
তোদের এই বিয়েটা মেনে নেওয়া হবে।
সৌরভ:- একবার যেহেতু বিয়ে হয়ছে, তাহলে আবার
কেনো বিয়ে করতে হবে। আমার কাছে কাবিন
নামার কাগজ আছে, ঐশি আমার স্ত্রী এইটার প্রমান
আছে, সুতুরাং আবার বিয়ে করার কোনো প্রশ্ন
আসেনা। তোমরা চাইলে বাড়ীতে একটা পার্টি
দিতে পারো, এর বেশি কিছু হলে আমি ঐশিকে
নিয়ে এই বাড়ী ছেরে চলে যাবো।
শ্বশুড়:- আবার বিয়ে করতে সমস্যা কি তোর, কি ঐশি
মা তোমার কোনো আপত্তি আছে? আবার
সৌরভের সাথে সমাজের নিয়ম মেনে বিয়ে
করতে?
আমি:- না আমার কোনো আপত্তি নেই।
সৌরভ:- বলছি তো আমি আবার বিয়ে করতে
পারবোনা, একবার বিয়ে করছি গতকাল, আবার আগামি
কাল বিয়ে করবো। এইটা আমি কিছুতে মানবোনা।
শ্বশুড়:- ঠিক আছে অার বিয়ে করতে হবেনা। ওনি
কিছুক্ষন চুপ থাকার পর কথাটা বললেন। তারপর আজ
থেকে ঐশি এই বাড়ীর ছোট বউ হিসাবে
মেনে নেওয়া হলো। তবে বড় বউ মা যদি আসে
তাহলে কি করবি সৌরভ?
সৌরভ:- ও আসলে আসবে, তাতে আমার কি? আর
তোমরা কেও কিছু বলোনা রিপাকে যা বলার, আমি
বলবো। বলে সৌরভ রুমে চলে রুমের দিকে
গেছে। তারপর সবাই এক এক করে চলে
গেছে, আমি তারা তারি করে রুমে এলাম দেখি সৌরভ
রুমে নেই। মনে হচ্ছে বাথরুমে গেছে। এতদিন
দরে সৌরভদের বাসায় আসা যাওয়া করছি, একদিন অন্য
কোনো মেয়ে এই বাড়ীতে দেখিনি। আর
সৌরভ কি আগে একটা বিয়ে করছে, আর যদি বিয়ে না
করে থাকে, তাহলে শ্বশুড় মসায় এই কথা বলবে
কেনো? আমি এই বাড়ীর ছোট বউ। আমাকে
এখনি জানতে হবে, সত্যি সৌরভ বিভাহিত কিনা, যদি বিভাহিত
হয়ে থাকে তাহলে আমার জীবনটা নষ্ট করার মানে
কি? বসে বসে কথা গুলো ভাবছি তখনি সৌরভ বাথরুম
থেকে ফ্রেসহয়ে বের হয়ছে।
আমি:- আপনাকে এখন আমার একটা কথার উত্তর
দিতে হবে।
সৌরভ:- কি কথা?
আমি:- আপনি কি বিভাহিত।
সৌরভ:- হে আমিত বিভাহিত।
আমি:- তাহলে আমাকে বিয়ে করলেন কেনো?
সৌরভ:- বোকার মত পোশ্ন করোনা, আমি
তোমাকে কেনো বিয়ে করছি, এই কথা
তোমাকে বলবোনা। এখন তুমি সরো আমার দেরি
হয়ে যাচ্ছে। আর একটা কথা তুমি এই কথাটা
বাড়ীতে কাওকে জিগ্যাসা করোনা, তাহলে
তোমার অবস্তা খারাপ করে ছারবো কিন্ত। কারন
আমি বলছি তুমি সব কিছু জেনে শোনে আমাকে
বিয়ে করেছো।
আমি:- কিন্ত আপনিত আমাকে এইসব কিছু বলেননি?
তাহলে সবার সাথে মিথ্যাকথা বলছেন কেনো?
সৌরভ:- মিথ্যা কথা কি, আমি একা বলছি নাকি? তুমিও মিথ্যা
কথা বলছো। যাক এখন এইসব বাদ দাও, তুমি রেডি
হয়ে ৯টার মধ্যে অফিসে চলে আসবে। কারন
তোমার চাকরিটা এখনো আছে, আগে তুমি
অফিসের কাজ করবে তারপর এই বাসার ছোট
বউয়ের কাজ করবে। বলে রুম থেকে বেড়িয়ে
চলে গেলো, আমি হা হয়ে তাকিয়ে রইলাম
সৌরভের চলে যাওয়ার দিকে, দরজার সামনে দ্বারিয়ে
আছি, তখনি দেখি ৮টা বাজে তারা তারি করে
ফ্রেসহয়ে অফিসের জন্য রওনা হলাম। রাস্তা দিয়ে
যাচ্ছি আর একটা কথা ভাবছি ওর একটা বউ থাকতে
আমাকে কেনো বিয়ে করলো, এর কারনটা
আমাকে খুজে বের করতে হবে। তারি তারি করে
অফিসের সামনে গেলিম, এরপর যখনি ডোকতে
যাবো আর তখনি,,,,
চলবে,,,,