পরিণয়ে পরিণতি !! Part- 26 (Last-Part)
সাইমুন মুনতাহা পরের দিন রিপোর্ট আনতে গেছে। ডাক্তার বলেছে,,
— মিঃ সাইমুন আপনার সমস্যা টা তেমন কিছু না ঠিকঠাক চিকিৎসা নিয়ে নিয়ম মেনে চললে আশাকরি ভালো হয়ে যাবেন৷
আমি যে ঔষধ গুলো দিচ্ছি সেগুলো নিয়মিত খাবেন তারপর যদি ঠিক নাহয় অন্য কোন ট্রিটমেন্ট করা হবে।
মুনতাহা জিজ্ঞেস করছে,,
— স্যার মেডিসিন খেয়ে ভালো হবার সম্ভাবনা কতটুকু??
— আশা তো করছি বাকিটা উপর আলার ইচ্ছে। তবে একটা কথা কি জানেন মানুষ শরীরের অসুস্থতার চেয়ে মনের অসুখে বেশি ভুগে। মন থেকে সাহস রাখতে হবে , যাইহোক না কেন আমি ভালো থাকবো। দেখবেন সে সুস্থ থাকবে। রোগ জানার আগে সবাই সুস্থ থাকে কিন্তু যখন শুনে সে বেশিদিন বাঁচবে না তখন থেকে চিন্তা করতে করতে অসুস্থ হয়ে যাবে যদি সে সুস্থ মানুষ ও হয়ে থাকে
সাইমুনের খুশি লাগছে না ভালো হয়ে কি হবে! কার জন্য বা ভালো হবে। মুনতাহা তো সাইমুন কে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়। মুনতাহার মনে তো সাইমুনের জন্য ঘৃণা ছাড়া কিচ্ছু নেই।
এসব ভাবতে ভাবতে মুনতাহার দিকে তাকাতেই মুনতাহা চোখ ঘুরিয়ে নিলো।
মুনতাহা কেন জানি সাইমুনের চোখে চোখ রাখতে সংকোচ বোধ করে। আপন মানুষ রা যখন পর হয়ে যায় তখন ভয়ংকর রুপ ধারণ করে চাইলে সহজে তাকে আপন করে নেয়া যায় না। তখন যাই করুক ভাববে মন থেকে করছে না স্বার্থের জন্য করছে।
বিশ্বাস ভালোবাসা কে মজবুত করে কিন্তু সেখানে যদি অবিশ্বাসের ধোঁয়া ঢুকে পড়ে বিশ্বাস ঠুনকো হয়ে যায়।
সাইমুন চায় না মুনতাহা আর সাইমুন কে ভুল বুঝুক। মুনতাহার দুরুত্ব সাইমুন কে শান্তি দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে অক্সিজেন থেকেও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্টে ভুগতে হচ্ছে।
মুনতাহা যেভাবে চায় সেভাবে খুশি থাকুক। এ বাড়িতে আছে এটাই পরম শান্তি। হয়তো কোন একদিন মুনতাহা বুঝবে আমি মুনতাহা কে কতটা ভালোবাসি । সে দিনের অপেক্ষায় নাহয় প্রহর গুণবো। কত মানুষ তো ভালোবাসার মানুষকে চোখে দেখার সুযোগ পায় না আমি তো অন্তত মুনতাহা কে চোখের দেখা দেখতে পাচ্ছি এটাই বা কম কি।
.
.
সাইমুন রাহি কে গিয়ে জিজ্ঞেস করছে ,,
— তারেক ছেলেটার,ঠিকানা দে??
রাহি যতটুকু জানে সব সাইমুন কে বলেছ।
সাইমুন বোনের মাথায় হাত রেখে ভরসা দিচ্ছে।
— তুই কাঁদিস না বোন আমি খুঁজে আনবো ওরে। আমার বোন কে দুঃখের সাগরে ভাসিয়ে দিবে আর আমি ঘরে বসে আঙ্গুল চুষবো নাকি এটা কিছুতেই হতে পারে না।
— আচ্ছা ভাইয়া সত্যি কি ও ফিরে আসবে তো??
-আমি চেষ্টা করব। তুই ওই কুত্তার একটা ছবি দে।
মুনতাহা মধ্যে খানে বলে উঠলো,,
— রাহি ওকে হয়ত আইনের ভয় দেখিয়ে ধরে আনতে পারবে। কিন্তু তোমাকে মন থেকে মেনে না নিলে সংসার করাতে পারবে?
একি ছাদের নিচে থাকলে কি ভালোবাসা থাকে!! ভালোবাসা এত সহজে ধরে রাখা যায় না। গড়তে অনেক সময় লাগে কিন্তু ভাঙতে ২ মিনিট ও লাগে না।
— তাই বলে কি আরেকবার চেষ্টা করে দেখব না?? অন্তত বাচ্চাটার মুখের দিকে তাকিয়ে তো করা উচিত। আমার বোনের জন্য আমাকে এটুকু করতে হবে। নাহলে বাচ্চাটা বড় হবার পরে বাচ্চাটাকে কি জবাব দিব আমরা!!
— তোমার কি মনে হয় ওর বাচ্চাটার প্রতি ওর মায়া দয়া আছে?? যদি সত্যি রাহি কে মন থেকে চাইতো বাচ্চার কথা ভাবতো তাহলে কাপুরুষের মত ওকে একা ফেলে পালিয়ে যেত না।
— হুম সোজাভাবে মেনে নিলে তো ভালো। নাহয় অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। ওকে আমি শান্তিতে ঘুমাতে দিব না।
— হুম এটকু বলতে পারি পারলে উপযুর্ক্ত শাস্তির ব্যবস্থা কর।
এ সমাজে ছেলেদের গায়ে তো দাগ লাগে না। তারা বিবাহিত নাকি অবিবাহিত বুঝার উপায় নেই সকল দায়বার তো মেয়েদের। মেয়েরা সারাজীবন কেন ছেলদের খেলার পুতুল হয়ে থাকবে??
যখন চাইবে খেলবে সময় পুরালে ফেলে দিবে এটা হতে পারে না।
সাইমুন বেশ ভালো করে বুঝতে পারছে মুনতাহা কথা গুলো সাইমুন কে হাঁড়ে হাঁড়ে বুঝিয়ে দিচ্ছে।
মুনতাহার শাশুড়ী এসে ছেলের কাছে কেঁদে কেঁদে বলছে,,
— আমি এত কিছু বুঝিনা আমি চাই আমার মেয়েটার একটা সংসার হোক। কয়দিন সত্যি কথা চাপা দিয়ে রাখব আজ বাদে কাল সবাই জেনে যাবে। তখন কি জবাব দিব সবাইকে।
তুই কিছু একটা কর দরকার হলে ওই ছেলের হাতে পায়ে ধর।
— হাতে পায়ে ধরে কয়দিন বেঁধে রাখবেন। মেয়েদের এত সস্তা ভাবার কি আছে। নিজের জায়গাতে শক্ত থাকলে সব সমস্যা জয় করা সম্ভব। রাহি কে শান্তিতে বাঁচাতে চাইলে এসব চিন্তা বাদ দিন।
— মুনতাহা তুমি চাওনা আমার মেয়েটার সংসার হোক? আমরা তো জানি তোমার সাথে ভুল করেছি, পাপ করেছি কিন্তু আজ আমাদের এ বিপদে একটু সাহায্য করো।
— আমি চাই ও ভালো থাকুক তাই বলে কারো লাথি খেয়ে জীবন কাটাক এটা চাই না। যে ছেলে এ অবস্থায় ফেলে যায় সে একসাথে থাকলে ওকে শান্তিতে থাকতে দিবে বলে ভাবছেন?? তিল তিল করে মারবে। আর হ্যাঁ আমি শুধু এ বাড়িতে থাকছি ওর বাচ্চাটার কথা ভেবে।
— স্বামী ছাড়া বাচ্চার ভার সারাজীবন বহন করা এত সহজ! ।যেভাবে হোক বিয়েতো হয়েছে। সাইমুন তুই ওরে খুঁজে এনে আবার বিয়ে দে। তারেক যেমন হোক ওর বাচ্চার বাবা!
— মনে রাখবেন সকল বিয়ের পরিণয় মিলে না। সকল পরিনয়ের পরিণতি ভালো হয় না। বিয়ে দিলে সকল সমস্যার সমাধান মিলে না। আগেও তো তাড়াহুড়ো করে দিয়েছেন।
— এ বিপদের সময় তুমি আমাকে খোটা দিচ্ছ??
— খোটা কেন দিব বুঝাচ্ছি সব সময় না ভেবে বিয়ে কোন সমাধান না। পরে যদি রাহির আরো বড় কোন ক্ষতি করে মন কে বুঝাতে পারবেন তো??
— না না এভাবে বলিও না। আমার মেয়েটা…
সাইমুন মা কে শক্ত করে বলছে,,
— আহা মা অবুঝের মত কথা বলিও না। মুনতাহা যা বলছে একদম ঠিক বলছে। ওই ছেলে আমার বোন কে কখনো সুখে রাখবে না৷ উল্টো পাল্টা সিদ্ধান্ত নিও নাতো।
— তোদের যা খুশি কর আমি কিচ্ছু জানিনা।
বাহ! সাইমুন আজ মায়ের কথার উপর বলতে পারছ আমি যা বলছি সঠিক। যদি সত্যি সেদিন বলতে পারতে তাহলে আজ আমরা সুখে থাকতাম।
একটা মেয়ের স্বামী যদি তার পক্ষে থাকে তাহলে সে পুরো দুনিয়ার সাথে লড়াই করতে পারে। আর যদি স্বামী স্ত্রীর সাথে না থাকে তাহলে পুরো দুনিয়া থেকেও সব শূন্য লাগে।
সাইমুন ছবি নিয়ে ঠিকানাতে গেলো তারেকের সাথে কথা বলতে। বাড়ির ঠিকানায় গিয়ে দেখে ওখানে তারেক নামে কেউ থাকে না।
তারেক যে ঠিকানা রাহি কে দিয়েছে সেটা ওর বাড়ি না।
সাইমুন নিরাশ হয়ে অফিসের ঠিকানায় গেলো। ভিতরে ঢুকে রিসেপশনিস্ট কে জিজ্ঞেস করছে,,
— তারেক নামে কেউ কি এখানে জব করে।
— আপনি একটু অপেক্ষা করুন আমি চেক করে দেখছি।
— আচ্ছা।
— তারেক নামে যে জব করতে সে গতমাসে চাকুরী ছেড়ে দিয়েছে।
— কেন দিয়েছে সেটা জানেন।
— সেটা তো জানিনা।
সাইমুন আর কোন পথ খুঁজে না পেয়ে সাইমুনের বন্ধু যে পুলিশে জব করে তার কাছে ছবি দিয়ে এসেছে। যাতে খোঁজ করে এ মুহুর্তে কোথায় গা ঢাকা দিয়ে আছে।
— দোস্ত তুই ভাবিস না আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করব। তবে এ ঘটনা কার সাথে ঘটেছে??
— আমার কাছের একজন তোকে পরে বলব। আগে খুঁজে বের কর।
.
.
রাহি অপেক্ষা করছে কখন সাইমুন আসবে। সাইমুন আসার পরে অনেক আশা নিয়ে ভাইয়ের কাছে গেলো।
রাহি কে আসতে দেখে সাইমুনের বুকটা ফেঁটে যাচ্ছে। একটা ভাইয়ের কাছে তার বোনের এমন অবস্থা যে কতটা কষ্ট দায়ক তা কেবল একটা ভাই অনুভব করতে পারবে।
— ভাইয়া ওর সাথে দেখা হইছে।
— না আসলে।
— বল না ভাইয়া কি বলেছে??
— তোকে বাড়ির ঠিকানা যেটা দিছে সেটা ভুল!
— কি বলো ভাইয়া আমাকে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখাইছে। আমি নিজে দেখছি সেখানে ঢুকছে।
— এগুলো মিথ্যা ছিলো।
— অফিসে গিয়েছ??
— অফিসের টা ঠিক আছে কিন্তু..
— কিন্তু কি ভাইয়া????
— কুত্তা টা এক মাস আগে জব ছেড়ে পালিয়েছে। তুই চিন্তা করিস না আমি ওকে খুঁজার ব্যবস্থা করছি।
এ কথা বলতে বলতে রাহি মাথা ঘুরে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে।
সবাই রাহি কে ধরে শুইয়ে দিলো। রাহির মা মেয়ের পাশে বসে কেঁদে চলেছেন।
মুনতাহা রাহির মাথায় পানি দিচ্ছে। সাইমুন দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখছে।
কেন আমার বোনটার এত বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। আমার বোন টা শেষ পর্যন্ত বাঁচবেতো। আমি অই হারামি কে খুঁজে বের করে শাস্তি দিবোই।
.
.
দেখতে দেখতে রাহির ডেলিভারির সময় চলে এসেছে। এ কয়মাসে সাইমুনের সাথে মুনতাহার খুব একটা ভাব হয়ে উঠেনি। তবে আগের চেয়ে কথা একটু বেশি হয় তাও বেশিরভাগ কথা রাহি কে নিয়ে। সাইমুন অনেকবার নিজেদের কথা উঠাতে গেছে কিন্তু মুনতাহা কোনভাবে সাইমুন কে থামিয়ে দিতো।
.
.
রাহির ফুটফুটে একটা মেয়ে শিশু হলো। আসে পাশের সবাই জানে মুনতাহার বেবি হয়েছে যদিও অনেকের মনে সন্দেহ হয়েছে। মুনতাহা সামলে নিয়েছে।
সাইমুন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলার কারণে ডাক্তার বলেছে সাইমুন বাবা হবার জন্য প্রস্তুত।
সাইমুনের ভীষণ ভালো লাগছে এবার বোধয় মুনতাহা মেনে নিবে। যদি ওকে ভালো না বাসতো তাহলে কখনো ওর চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করতো না।
মুনতাহা যা পছন্দ করে সাইমুন তাই করার চেষ্টা করেছে কখনো মুনতাহার মনে হয়েছে তার থেকে যাওয়া উচিত আবার কখনো ভেবেছে অনেক শাস্তি হয়েছে এবার সব মান অভিমান দূরে ঠেলে দিয়ে ভালোবাসায় পরম মমতায় নিজেরা সুখে থাকি।
সাইমুন মুনতাহা কে গিয়ে জড়িয়ে ধরে,,
— মুনতাহা এখন তো সব ঠিক হয়ে গেছে এবার নাহয় সব মান অভিমান বাদ দিয়ে আমরা এক হয়ে যাই। আমি যে আর পারছিনা।
— আচ্ছা,সাইমুন যদি অবন্তিকার কোন ভালোবাসার মানুষ না থাকতো তোমর সমস্যা না হত। অবন্তিকা তোমাকে মেনে নিতো আমাকে মনে রাখতে??
— কেন বলছ এসব আমি আর অতীতের কথা মনে করতে চাই না।
এটা বলে গাল চেপে একটা চুমু খেলো। মুনতাহা সাইমুন কে সরিয়ে দিয়ে,,
— তুমি মনে করতে চাও না আর আমি যে ভুলতে পারছিনা। তুমি তো বলেছিলে সন্তান না হলে ভালোবাসা একসময় ফানসে হয়ে যাবে। আমি চাইনি আমার ভালোবাসা ফানসে হয়ে যাক।
— হুম সেদিন ভুল বলেছিলাম। আমি বুঝতে পারিনি ভালোবাসা ছাড়া সব কিছুই মূল্য হীন।
— আজ আমার মনে কষ্টের পাহাড় এত বিশাল যে আমি সেগুলো পার করতে পারছিনা। জানিনা পারব কিনা হয়তো পারব হয়ত না। আর হ্যাঁ আমি সব গুছিয়ে নিয়েছি আজই চলে যাব।
সাইমুন মুনতাহা হাত দুটো টেনে নিজেকে মারতে লাগলো। বুকে টেনে নিয়ে বার বার জড়িয়ে ধরছে।
— তাহলে আমাকে সুস্থ করে তুলেছ কেন??
— আমি চাইনি তুমি কমতি নিয়ে থাকো। আমি চেয়েছি ভবিষ্যতে যাতে অন্য কাউকে জীবনে আনতে তোমার কষ্ট নাহয়। আমার সকল কাজ শেষ এখন যাবার পালা। শুধু একটাই অনুরোধ আমাকে ভালোবেসে থাকলে নিজেকে সুস্থ রাখো আমার জন্য না খেয়ে অসুস্থ হয়ে আমাকে অপরাধী না করলে খুশি হবো।
— প্লিজ যেও না মুনতাহা প্লিজ।
.
.
মুনতাহা শাশুড়ি কে গিয়ে বলছে,,
— আমি আপনাকে দেয়া কথা রেখেছি। আপনার ছেলে এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। চাইলে আরেকটা বিয়ে করাতে পারবেন।
— কেন এভাবে চলে যাচ্ছিস কষ্ট দিয়ে। আমাদের মাফ করে দেনা। আমার ছেলেটা যে আবার আগের মত হয়ে যাবে। তুই এবার ও আমাদের ঋণী করে যাবি।
— সব ঠিক হয়ে যাবে।
মুনতাহা ব্যাগ গুছিয়ে বের হবার সময় পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে আজকে সবার চোখ থেকে পানি পড়ছে। সাইমুনের চোখের
জল চিকচিক করছে । সবার চোখে একটাই আকুতি মুনতাহা যেও না …….
#সমাপ্ত
গল্পটা কিছুটা অসমাপ্ত রেখে দিলাম। হয়তো মুনতাহা ফিরে আসবে হয়তো না। আল্লাহ বাঁচাই রাখলে খুব দ্রুত আমি এ গল্পটার সিজন টু নিয়ে আসব তাই এভাবে শেষ করে দিলাম। জানিনা আপনাদের কত টা ভালো লেগেছে গল্পটা।
কারো ভালো কাগবে কারো খারাপ লাগবে সমাপ্তি টা। আমি চাইব পুরো গল্পটা কেমন লেগেছে কমেন্ট করে জানাবেন। আপনাদের ভালোবাসা আমার অনুপ্রেরণা ☺
আমি প্রথম বার এত বড় গল্প লিখেছি। সবাই এত ভালোবাসা দিবে আমি ভাবতে পারিনি। আমি চাই আপনারা এভাবে #অতীতের_কালো_ছাঁয়া গল্পতেও পাশে থাকবেন। অনেক ভুল ত্রুটি থাকতে পারে আমার জ্ঞান এখনো সামান্য তাই ভালোবেসে বিচার করবেন 🙂 সবাই অনেক বেশি ভালোবাসা ❤
সবাই সবার জন্য দোআ করবেন যাতে আমরা এ পরিস্থিতি কাটাই উঠতে পারি ❤
#পাঁচ_ওয়াক্ত_নামাজ_পড়ুন_জীবন_সুন্দর_করুন ❤